eNoteShare.com

ভাবসম্প্রসারণ তালিকা - ৩০৫ টি

Article Stats 💤 Page Views
Reading Effort
3,707 words | 21 mins to read
Total View
612.9K
Last Updated
24-Aug-2026 | 09:37 AM
Today View
6
“ ”
জ্ঞ
ভাব
?
!
বাংলা ২য় পত্র - নির্মিতি

ভাবসম্প্রসারণ

৬ষ্ঠ - ১২শ শ্রেণি, SSC ও HSC
| গুরুত্বপূর্ণ তালিকা ও সমাধান


ভাবসম্প্রসারণ in English
Amplification
or
Expansion of thought
অর্থাৎ,
কোনো ছোট কথাকে প্রসার করে বুঝিয়ে বলা

ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম

(১)
শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে

(২)
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল

(৩)
এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি
রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি

(৪)
যাহা চাই ভুল করে চাই
যাহা পাই তাহা চাই না

(৫)
জীবে প্রেম করে যেই জন
সেই জন সেবিছে ঈশ্বর

(৬)
সবলের পরিচয় আত্মপ্রসারে, আর দুর্বলের স্বস্তি আত্মগোপনে

(৭)
জাল কহে, “পঙ্ক আমি উঠাব না আর”
জেলে কহে, “মাছ তবে পাওয়া হবে ভার”

(৮)
মিথ্যা শুনিনি ভাই
এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোন মন্দির কাবা নাই

(৯)
অর্থ সম্পদের বিনাশ আছে, কিন্তু জ্ঞান সম্পদ কখনও বিনষ্ট হয় না

(১০)
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি

(১১)
ভোগে সুখ নাই, কর্ম সম্পাদনেই প্রকৃত সুখ

(১২)
শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড

(১৩)
অর্থই অনর্থের মূল

(১৪)
ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ
অথবা,
ভোগে প্রকৃত সুখ নাই, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের প্রকাশ

(১৫)
বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু

(১৬)
বন্যেরা বনে সুন্দর; শিশুরা মাতৃক্রোড়ে

(১৭)
প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না

(১৮)
প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবনের জনক

(১৯)
প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত বাঁচিবার অধিকার তাহারই

(২০)
দুঃখের মত এত বড় পরশপাথর আর নেই

(২১)
দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর

(২২)
তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?

(২৩)
জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভাল

(২৪)
পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না

(২৫)
পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি
অথবা,
যেমন কর্ম তেমন ফল।

(২৬)
নাম মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে বড় করে তোলে

(২৭)
দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য

(২৮)
চরিত্র জীবনের অলংকার ও অমূল্য সম্পত্তি

(২৯)
কর্তব্যের কাছে ভাই-বন্ধু কেউ নেই

(৩০)
রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে

(৩১)
স্বার্থমগ্ন যে জন বিমুখ বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো শেখে নি বাঁচিতে

(৩২)
স্বদেশের উপকারে নেই যার মন
কে বলে মানুষ তারে, পশু সেই জন।

(৩৩)
সুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়
অসময়ে হায় হায় কেহ কারো নয়।

(৩৪)
সম্পদে যাঁদের ঠেকে না চরণ
মাটির মালিক তাঁহারাই হন।

(৩৫)
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।

(৩৬)
শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করে শির,
লিখে রেখো, এক ফোঁটা দিলেম শিশির।।

(৩৭)
রাত্রে যদি সূর্যশোকে ঝরে অশ্রুধারা,
সূর্য নাহি ফেরে, শুধু ব্যর্থ হয় তারা।

(৩৮)
যত বড় হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর আকাশে আঁকা
আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা।

(৩৯)
মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে,
হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(৪০)
মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে
মানুষের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।

(৪১)
নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস
ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস

(৪২)
ধ্বনিটিরে প্রতিধ্বনি সদা ব্যঙ্গ করে,
ধ্বনি-কাছে ঋণী সে যে গাছে ধরা পড়ে

(৪৩)
দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি
সত্য বলে, আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?

(৪৪)
দণ্ডিতের সাথে
দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে
সর্বশ্রেষ্ঠ যে বিচার

(৪৫)
জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে,
সে জাতির নাম মানুষ জাতি।
একই পৃথিবীর স্তন্যে লালিত,
একই রবিশশী মোদের সাথী।

(৪৬)
চন্দ্র কহে, বিশ্বে আলো দিয়েছি ছড়ায়ে,
কলঙ্ক যা আছে তাহা আছে মোর গায়ে।

(৪৭)
গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন
নহে বিদ্যা, নহে ধন, হলে প্রয়োজন

(৪৮)
চক্ চক্ করলে সোনা হয় না

(৪৯)
কত বড়ো আমি, কহে নকল হীরাটি-
তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি
অথবা,
দেখিতে যা বড়,
চক্ষে যাহা স্তূপাকার হইয়াছে জড়ো,
তারি কাছে অভিভূত হয়ে বারে বারে
লুটায়ো না আপনায়।

(৫০)
আলো বলে, ‘অন্ধকার, তুই বড় কালো,
অন্ধকার বলে, ’ভাই, তাই তুমি আলো!

(৫১)
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে

(৫২)
উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে,
তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে

(৫৩)
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
অথবা,
কাঁটাবনের গোলাপই সত্যিকারের গোলাপ।

(৫৪)
বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা
নয়নের অংশ যেন নয়নের পাতা।

(৫৫)
সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে
মনের মন্দিরে নিত্য সেবে সর্বজন

(৫৬)
সংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা
আশা তার একমাত্র ভেলা

(৫৭)
যে জাতি জীবন হারা অচল অসার,
পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার

(৫৮)
নানান দেশের নানান ভাষা
বিনা স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা?

(৫৯)
যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই,
পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন

(৬০)
পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন
নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন

(৬১)
বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর

(৬২)
স্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মিত্র অপেক্ষা ভাল
অথবা
নির্বাক মিত্র অপেক্ষা স্পষ্টভাষী শত্রু অনেক ভাল
অথবা
অন্তরে অনিষ্টতার চিন্তা, মুখেতে মিষ্টতা; তার চেয়ে ঢের ভালাে প্রকাশ্যে শক্রতা

(৬৩)
বিদ্যা বিনয় দান করে, বিনয় দ্বারা জগৎ বশীভূত হয়

(৬৪)
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন

(৬৫)
আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য

(৬৬)
পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা কর

(৬৭)
দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।
অথবা,
যে একা সে-ই সামান্য,
যাহার ঐক্য নাই, সেই তুচ্ছ
অথবা,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল
গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল
অথবা,
একতাই বল
অথবা,
দশের লাঠি একের বোঝা

(৬৮)
সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা বা নীতি

(৬৯)
কীর্তিমানের মৃত্যু নেই
অথবা,
মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়

(৭০)
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করে

(৭১)
দুর্নীতি জাতীয় জীবনে অভিশাপস্বরূপ
অথবা,
দুর্নীতি জাতীয় সকল উন্নতির অন্তরায়

(৭২)
গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু

(৭৩)
কর যুদ্ধ বীর্যবান যার যাবে যাক প্রাণ
মহিমাই জগতে দুর্লভ

(৭৪)
সুজনে সুযশ গায় কুযশ চাপিয়া
কুজনে কুরব করে সুরব নাশিয়া

(৭৫)
অভাব অল্প হলে দুঃখও অল্প হয়ে থাকে

(৭৬)
অদৃষ্টেরে শুধালেম, ‘চিরদিন পিছে
অমোঘ নিষ্ঠুর বলে কে মোরে ঠেলিছে?
সে কহিল, ‘ফিরে দেখো।’ দেখিলাম থামি,
সম্মুখে ঠেলিছে মোরে পশ্চাতের আমি।

(৭৭)
অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান।
অথবা,
অসির চেয়ে মসী বড়।

(৭৮)
অতি বাড় বেড়ো না, ঝরে পড়ে যাবে,
অতি ছোট থেকো না, ছাগলে মুড়ে খাবে।

(৭৯)
অধিকার পাওয়া এবং অধিকারী হওয়া এক বস্তু নয়

(৮০)
অতি দীন ও অশক্ত লোকেরাই দৈবের দোহাই দিয়ে থাকে

(৮১)
অধর্মের ফল হইতে নিষ্কৃতি নাই

(৮২)
অন্যের পাপ গণনার আগে নিজের পাপ গোণ

(৮৩)
অনেক কিছু ভাবার চেয়ে অল্প কিছু করাই শ্রেয়

(৮৪)
অনুকরণের দ্বারা পরের ভাব আপন হয় না
অর্জন না করলে কোন বস্তুই নিজের হয় না

(৮৫)
আপনা রাখিলে ব্যর্থ জীবন সাধনা
জনম বিশ্বের তরে পরার্থে কামনা।

(৮৬)
আলস্য এক ভয়াবহ ব্যাধি
(৮৭)
আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়
লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়

(৮৮)
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ
এ নহে মোর প্রার্থনা,
তরিতে পারি শকতি যেন রয়

(৮৯)
আলো ও অন্ধকার পাশাপাশি অবস্থান করে,
একটিকে বাদ দিলে অন্যটি মূল্যহীন

(৯০)
আকর্ষণ গুণে প্রেম এক করে তোলে
শক্তি শুধু বেঁচে রাখে শিকলে শিকলে

(৯১)
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়

(৯২)
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই
নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই

(৯৩)
উপকার যেন মধুর পাত্র
হজম করতে জ্বলে যে গাত্র

(৯৪)
এ জগতে মানুষ আপনার ঘর আপনি রচনা করে

(৯৫)
এই খেয়া চিরদিন চলে নদী স্রোতে
কেহ যায় ঘরে, কেহ আসে ঘর হতে

(৯৬)
এমন অনেক দুঃখ আছে যাকে ভোলার মত দুঃখ আর নেই

(৯৭)
এমন মানব জমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতত সোনা

(৯৮)
কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,
‘ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।
হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,
কেরোসিন শিখা বলে, ‘এস মোর দাদা।’

(৯৯)
কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?
মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষেতে সুরাসুর

(১০০)
কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ
উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?

(১০১)
কেবল পরের হিতে প্রেম লাভ যার
মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর?

(১০২)
কাক কালো, পিক কালো,
মিথ্যা ভেদ খোঁজা-
বসন্ত যেমনি আসে
ভেদ যায় বোঝা

(১০৩)
কুকুরের কাজ কুকুরে করেছে কামড় দিয়েছে পায়।
তা বলে কুকুরে কামড়ানো কি মানুষের শোভা পায়।

(১০৪)
কঠোরতার সঙ্গে কোমলতার সমাবেশ ব্যতীত মনুষ্যচরিত্র সম্পূর্ণতা পায় না

(১০৫)
কালো আর ধালো বাহিরে কেবল
ভিতরে সবার সমান রাঙ্গা

(১০৬)
কাঁটা বনের গোলাপই সত্যিকারের গোলাপ

(১০৭)
কার্পণ্য ও মিতব্যয়িতা এক কথা নয়।
এই দুইকে এক মনে করা নিতান্তই ভ্রম

(১০৮)
কে লইবে মোর কার্য, কহে সন্ধ্যা রবি।
শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি।
মাটির প্রদীপ ছিল, সে কহিল, স্বামী।
আমার যেটুকু সাধ্য তা করিব আমি।

(১০৯)
কাক কোকিলের একই বর্ণ
স্বরে কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন

(১১০)
কাজের বেলায় কাজী কাজ ফুরালে পাজী

(১১১)
গাইতে গাইতে গায়েন,
বাজাতে বাজাতে বায়েন

(১১২)
গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।

(১১৩)
ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা
সব শিশুদের অন্তরে।

(১১৪)
চিরসুখীজন ভ্রমে কি কখন
ব্যথিত বেদন বুঝিতে কি পারে?
কি যাতনা বিষে
বুঝিবে সে কিসে
কভু আশীবিশে দংশেনি যারে?

(১১৫)
চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী, তদপেক্ষা শতগুণে দোষী

(১১৬)
বেঁচেও মরে যদি মানুষ দোষে
মরেও বাঁচে যদি মানুষ ঘোষে

(১১৭)
জীবনের কাছ থেকে পালানো সহজ, তার সঙ্গে লড়ে জয়ী হওয়াই কঠিন

(১১৮)
জীবনে সভ্যতার সাজ খোলাই কঠিন, পরা সহজ

(১১৯)
জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি
জোটে যদি দুটি, তাই দিয়ে
ফুল কিনে নিও হে অনুরাগী

(১২০)
জ্ঞানই শক্তি

(১২১)
জ্ঞান মানুষের মধ্যে সকলের চেয়ে বড় ঐক্য

(১২২)
জীবনের জন্য মৃত্যু, মৃত্যুর জন্য জীবন নয়

(১২৩)
জনগণ নন্দিত একজন সাহসী নেতার কণ্ঠস্বর
সহস্র বুলেটের চেয়ে শক্তিশালী

(১২৪)
জাতীয় জীবনে সন্তোষ এবং আকাঙক্ষা
দুয়ের মাত্রা বেড়ে গেলে বিকাশের কারণ ঘটে

(১২৫)
জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা

(১২৬)
জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব

(১২৭)
তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি,
কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় তবে মানুষ

(১২৮)
তেলা মাথায় তেল দেয়া মনুষ্য জাতির রোগ

(১২৯)
পেঁচা রাষ্ট্র করে দেয় পেলে কোনো ছুতা-
জান না আমার সঙ্গে সূর্যের শক্রতা?

(১৩০)
তুমি বসন্তের কোকিল, শীত বর্ষার কেহ নও

(১৩১)
তৃষ্ণার জল যখন আশার অতীত হয়
মরীচিকা তখন সহজে ভোলায়

(১৩২)
তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবার দাও শক্তি

(১৩৩)
ত্যাগ ও ভোগ দুয়েরই প্রয়োজন আছে জীবনে

(১৩৪)
দুধ-কলায় সমৃদ্ধ সোনার খাঁচা অপেক্ষা
ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ অজানা আকাশ পাখির অনেক প্রিয়

(১৩৫)
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের ওপরে
একটি শিশির বিন্দু

(১৩৬)
দৈন্য যদি আসে আসুক লজ্জা কিবা তাহে?
মাথা উঁচু রাখিস।
সুখের সাথী মুখের পানে যদি নাহি চাহে
ধৈর্য ধরে থাকিস।

(১৩৭)
ধৈর্য ধর ধৈর্য ধর বাঁধ বাঁধ বুক
সংসারে সহস্র দুঃখ আসিবে আসুক।

(১৩৮)
ধনী হয়ে গরিবের স্বপ্ন দেখা এক নতুন বিলাসিতা

(১৩৯)
ধর্মের ঢাক আপনি বাজে
অথবা,
ধর্মের ঢোল আপনি বাজে

(১৪০)
ধনের মানুষ অপেক্ষা মনের মানুষই বড়

(১৪১)
নহে আশরাফ, যার আছে শুধু, বংশ পরিচয়,
সেই আশরাফ, জীবন যাহার পুণ্য কর্মময়,
অথবা,
কর্মে যাদের নাহি কলঙ্ক, জন্ম যেমন হোক
পুণ্য তাদের চরণ পরশে ধন্য এ নরলোক।

(১৪২)
নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা

(১৪৩)
নিরক্ষরতা দুর্ভাগ্যের প্রসূতি

(১৪৪)
নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,
তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল।
গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,
কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।

(১৪৫)
নির্গুণ স্বজন শ্রেয় পর পর সদয়

(১৪৬)
নতুনই পুরাতনকে রক্ষা করে থাকে। পুরাতনের মাঝেই নতুনের বাস। নতুন পুরাতন বিচ্ছেদ হলে হয় জীবনের অবসান

(১৪৭)
নীচ যদি উচ্চভাসে, সুবুদ্ধি উড়ায়ে হেসে

(১৪৮)
নর কহে ধূলিকণা, তোর জন্ম মিছে,
চিরকাল পড়ে রইল, চরণের নিচে
ধূলিকণা কহে, ‘ভাই কেন কর ঘৃণা
তোমার দেহের আমি পরিণাম কিনা।’

(১৪৯)
পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়,
পথের দু'ধারে আছে মোর দেবালয়

(১৫০)
পুষ্পের মুকুল
নিয়ে আসে অরণ্যের
আশ্বাস বিপুল

(১৫১)
প্রাচীরের ছিদ্রে এক নাম গোত্রহীন
ফুটিয়াছে ছোট ফুল অতিশয় দীন।
ধিক্ ধিক্ করে তারে কাননের সবাই,
সূর্য উঠি বলে তারে ভালো আছো ভাই?

(১৫২)
পুণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে উত্থানে
মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানে

(১৫৩)
প্রীতিহীন হৃদয় আর প্রত্যয়হীন কর্ম দুই-ই অসার্থক

(১৫৪)
পরের কাছে হইবে বড়ো
একথা গিয়ে ভুলে
বৃহৎ যেন হইতে পারি
নিজের প্রাণমূলে

(১৫৫)
পরের বেদনা সে-ই বুঝে শুধু যে জন ভুক্তভোগী,
রোগ যন্ত্রণা সে কভু বুঝে না হয়নি যে কভু রোগী।

(১৫৬)
পিতা-মাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি,
যতনে মানিয়া চল তাহাদের বাণী

(১৫৭)
আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।

(১৫৮)
ইটের পর ইট মধ্যে মানুষ কীট

(১৫৯)
পাখিরা আকাশে উড়ে দেখিয়া হিংসায়
পিপীলিকা বিধাতার কাছে পাখা চায়,
বিধাতা দিলেন পাখা, দেখো তার ফল,
আগুনে পুড়িয়া মরে পিপীলিকার দল।

(১৬০)
প্রকৃত বীর একবারই মরে, ভীরুরা মরে বার বার

(১৬১)
প্রতিভা এমন জিনিস, এ যাকে স্পর্শ করে তাকে সজীব করে

(১৬২)
ফুলের বাগান সবার মনেই আছে,
ফুল ফুটাতে সবাই নাহি পারে।

(১৬৩)
বিদ্যার সাধনা শিষ্যকে নিজে অর্জন করতে হয়, গুরু উত্তরসাধক মাত্র

(১৬৪)
বহুমূল্য পরিচ্ছদ রতন ভূষণ
নরের মহত্ত্ব নারে করিতে বর্ধন।
জ্ঞান পরিচ্ছদ আর ধর্ম অলঙ্কার
করে মাত্র মানুষের মহত্ত্ব বিস্তার।

(১৬৫)
বই কিনে কেউ কখনও দেউলিয়া হয় না

(১৬৬)
বিত্ত হতে চিত্ত বড়

(১৬৭)
বন্দি যেমন বদ্ধ বিচারকও তেমনি বদ্ধ

(১৬৮)
বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।
অসংখ্য বন্ধন-মাঝে মহানন্দময়
লভিব মুক্তির স্বাদ।

(১৬৯)
বন্ধু, অর্থ দুই মোর সংসারেতে ছিল;
দিনু ঋণ সেই অর্থ বন্ধু তা চাহিল।
বন্ধুর কাছে সেই অর্থ চাহিবার ফলে;
হারালাম বন্ধু, অর্থ দুই এককালে।

(১৭০)
বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে

(১৭১)
বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃতকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে

(১৭২)
বিদ্যা যতই বাড়ে ততই জানা গেল যে, কিছুই জানা হল না

(১৭৩)
বুদ্ধি যার বল তার

(১৭৪)
বিশ্ব যদি চলে যায় কাঁদিতে কাঁদিতে
আমি একা বসে রব, মুক্তি সমাধিতে।

(১৭৫)
বড়র পিরীতি বালির বাঁধ

(১৭৬)
ভালোমন্দ, সুখ দুঃখ অন্ধকার আলো,
মনে হয়, সব নিয়ে এ ধরণী ভাল।

(১৭৭)
ভূতের ভয় অবিশ্বাসে কাটে না

(১৭৮)
ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ

(১৭৯)
মিত্রত্ব সর্বত্রই সুলভ, মিত্রত্ব রক্ষা করাই কঠিন

(১৮০)
মুকুট পরা কঠিন, কিন্তু মুকুট ত্যাগ আরো কঠিন

(১৮১)
মানুষকে ভুল করিতে না দিলে
মানুষকে শিক্ষা লাভ করিতে দেওয়া হয় না

(১৮২)
মনুষ্য জাতির উপর আমার যদি প্রীতি থাকে তবে আমি অন্য সুখ চাহিনা

(১৮৩)
মূর্খ মিত্রের চেয়ে শিক্ষিত শত্রু ভাল

(১৮৪)
মানব সেবার ব্রতে সদা রত যেই জন
আল্লাহর প্রিয় বান্দা বলে, নমঃ সেই জন

(১৮৫)
মন সজীব রাখিতে হইলে বিস্ময়বোধ জাগ্রত রাখিবে

(১৮৬)
মহৎ দেখে কাঁদতে শেখা
তবেই কাঁন্না ধন্য হয়।

(১৮৭)
মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন, বিলাস ধন নহে

(১৮৮)
মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ

(১৮৯)
যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে,
সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে;
অথবা,
যে জাতি জীবনহারা অচল অসার,
পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

(১৯০)
যে সহে সে রহে

(১৯১)
যে সমাজ গতিবিশিষ্ট, সেই সমাজ উন্নতিশীল

(১৯২)
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে।
তবে একলা চল, একলা চল রে।

(১৯৩)
যৌবনে অর্জিত সুখ অল্প, কিন্তু সুখের আশা অপরিমিত

(১৯৪)
যে স্বভাব গঠনে চেষ্টা করে, চিন্তা কর, সে এবাদত করে

(১৯৫)
যত মত, তত পথ

(১৯৬)
যাহারা এ পৃথিবীতে হয়েছেন ধন্য
নিজের জন্য ভাবেনিকো
ভেবেছেন পরের জন্য।

(১৯৭)
যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিবে যে নিচে
পশ্চাতে রেখেছ যারে, সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।

(১৯৮)
যৌতুক প্রথা এক সামাজিক ব্যাধি

(১৯৯)
যতনে রতন মিলে, সারসত্য এই।

(২০০)
যে জন দিবসে মনের হরষে
জ্বালায় মোমের বাতি,
আশু গৃহে তার দেখিবেনা আর
নিশিথে প্রদীপ বাতি।

(২০১)
যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা

(২০২)
যে নৌকা হালের শাসন মানে না, তাকে বেসামাল হতেই হয়

(২০৩)
রোম নগরী একদিনে গড়িয়া উঠে নাই

(২০৪)
রাজাকে বধ করিয়া রাজত্ব মিলে না ভাই, পৃথিবীকে বশ করিয়াই রাজা হইতে হয়

(২০৫)
লোকের ভাল লোকের মন্দ
লোকের সাথে চলে যায়,
কীর্তি ও অকীর্তি জগতে থেকে যায়।

(২০৬)
লোভে পাপ পাপে মৃত্যু

(২০৭)
শুধু রক্তের সম্বন্ধে আত্মীয়তা হয় না,
আত্মায় আত্মায় মিলনেই সৃষ্টি হয় পরম আত্মীয়তা।

(২০৮)
শরীরের নাম মহাশয়
যাহা সহাও তাহাই সয়।

(২০৯)
শিক্ষাই শক্তি শিক্ষাই মুক্তি

(২১০)
শীত যদি এসে যায়, বসন্ত কোথায় রয়

(২১১)
শিক্ষার মত পরম পাথর আর নেই

(২১২)
শক্তি যার নাই নিজে বড়ো হইবারে
বড়োকে করিতে ছোটো তাই সে কি পারে?

(২১৩)
সে কহে বিস্তর মিছা,
যে কহে বিস্তর।

(২১৪)
সাহিত্য জাতির দর্পণস্বরূপ

(২১৫)
স্বার্থক জনম আমার জন্মেছি এ দেশে
স্বার্থক জনম মা গো, তোমায় ভালোবেসে।

(২১৬)
সঞ্চয়ই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি

(২১৭)
ধৈর্যের ন্যায় মহৎ গুণ আর নেই।

(২১৮)
সমাজকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা।
শিক্ষাই শক্তি, শিক্ষাই মুক্তি।

(২১৯)
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই

(২২০)
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত
অথবা,
জ্ঞানশক্তি অর্জনিই শিক্ষার উদ্দেশ্য

(২২১)
সঙ্গদোষে লোহা ভাসে

(২২২)
সমস্ত পাথর হলে মহামূল্য মণি
মণির কদর কিছু হত না কখনি

(২২৩)
পরের অভাব মনে করিলে চিন্তন
আপন অভাব ক্ষোভ থাকে কতক্ষণ?

(২২৪)
সবুরে মেওয়া ফলে

(২২৫)
স্বার্থপরতা মানব জীবনের উন্নতির পথে মূল প্রতিবন্ধক

(২২৬)
সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়

(২২৭)
সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ
অথবা,
সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে

(২২৮)
সৌজন্যই সংস্কৃতির পরিচয়

(২২৯)
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কী ভুলিতে পারি।

(২৩০)
সংসারে কিছুই চিরদিনের নয়

(২৩১)
সুষ্ঠু শিক্ষানীতি জাতীয় উন্নয়নের চাবিকাঠি

(২৩২)
হে অতীত, তুমি ভুবনে ভুবনে
কাজ করে যাও গোপনে গোপনে,
মুখর দিনের চপলতা মাঝে স্থির হয়ে তুমি রও।

(২৩৩)
হাত জোড় করে নয়, হাত মুঠো করেও নয়।
পেতে হলে হাত লাগাতে হবে।

(২৩৪)
হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে
করব মোরা পরিহাস।
অথবা
মুক্ত করো ভয়,
আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।

(২৩৫)
হিংসা যেদিন যাইবে দুনিয়া ছাড়িয়া
সব তরবারি হইবে সেদিন কাষ্ঠের তরবারি।

(২৩৬)
হক কথায় মানুষ রুষ্ট, গরম ভাতে বিড়াল অসন্তুষ্ট
(২৩৭)
ক্ষুদ্রত্বের মধ্যেও মহত্ব আছে

(২৩৮)
স্বপ্ন তা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখো,
স্বপ্ন সেটাই যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না

(২৩৯)
অন্নের লাগি মাঠে
লাঙলে মানুষ মাটিতে আঁচড় কাটে।
কলমের মুখে আঁচড় কাটিয়া
খাতার পাতার তলে-মনের অন্ন ফলে।

(২৪০)
আমি ভয় করব না, ভয় করব না,
দুবেলা মরার আগে মরব না ভাই, মরব না।
তরীখানা বাইতে গেলে
মাঝে মাঝে তুফান মেলে-
তাই ব’লে হাল ছেড়ে দিয়ে কান্নাকাটি করব না,
আমি ভয় করব না।

(২৪১)
জ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমান

(২৪২)
স্নেহের স্বভাব এই, অকারণে অনিষ্ট আশঙ্কা করে।

(২৪৩)
রথযাত্রা লোকারণ্য মহা ধূমধাম
ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম;
পথ ভাবে, ‘আমি দেব’, রথ ভাবে, ‘আমি’
মূর্তি ভাবে, ‘আমি দেব’ হাসে অন্তর্যামী।

(২৪৪)
যা রাখি আমার তরে মিছে তারে রাখি,
আমিও রব না যবে সেও হবে ফাঁকি,
যা রাখি সবার তরে, সেই শুধু রবে
মোর সাথে ডোবে না সে. রাখে তারে সবে।

(২৪৫)
যে ফুল না ফুটিতে ঝরেছে ধরণীতে,
যে নদী মরুপথে হারালো ধারা,
জানি হে জানি তাও হয় নি হারা।

(২৪৬)
তাই আজ প্রকৃতির উপর আধিপত্য নয়,
মানুষ গড়ে তুলতে চাইছে প্রকৃতির সঙ্গে মৈত্রীর সম্বন্ধ।

(২৪৭)
দুঃখ যে পাপের ফল তাহা কে বলিল, পুণ্যের ফলও হইতে পারে,
কত ধর্মাত্মা আজীবন দুঃখে কাটাইয়া গিয়াছেন।

(২৪৮)
হাতে কাজ করায় অগৌরব নেই, অগৌরব হল মিথ্যায়, মূর্খতায়।
(২৪৯)
শুধাল পথিক, ‘সাগর হইতে কী অধিক ধনবান?’
জ্ঞানী কহে, ‘বাছা, তুষ্ট হৃদয় তারো চেয়ে গরীয়ান।’
(২৫০)
বন থেকে জানোয়ার তুলে আনা যায়, কিন্তু জানোয়ারের মন থেকে বন তুলে ফেলা যায় না।

(২৫১)
শিক্ষার্থী শিক্ষকের মানস সন্তান

(২৫২)
সাধনা নাই, যাতনা নাই

(২৫৩)
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে কোথা কবে-
চির স্থির কবে নীর, হায়রে জীবন নদে?

(২৫৪)
বাংলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।

(২৫৫)
করিতে পারি না কাজ, সদা ভয়, সদা লাজ
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে।

(২৫৬)
পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও,
তার মত সুখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।

(২৫৭)
নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান;
বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান

(২৫৮)
মনেরে আজ কহ যে
ভাল-মন্দ যাহাই আসুক
সত্যেরে লও সহজে।

(২৫৯)
মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন

(২৬০)
জননন্দিত একজন সাহসী নেতার কন্ঠস্বর সহস্র বুলেটের চেয়ে শক্তিশালী

(২৬১)
জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস

(২৬২)
প্রয়োজন ব্যতীত বন্ধু ও শত্রু চেনা যায় না

(২৬৩)
ফ্যাশনটা হলো মুখোশ স্টাইলটা হলো মুখোশ্রী

(২৬৪)
সমালোচককে কখনো শত্রু ভেবো না, সে-ই প্রকৃত বন্ধু

(২৬৫)
প্রথম যেদিন তুমি এসেছিল ভবে,
তুমি মাত্র কেঁদেছিলে, হেসেছিল সবে।
এমন জীবন হবে করিতে গঠন
মরণে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভুবন।

(২৬৬)
সত্যমূল্য না দিয়েই সাহিত্যের খ্যাতি করা চুরি
ভালো নয় ভালো নয়, নকল সে সৌখিন মজদুরি

(২৬৭)
ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না

(২৬৮)
আমার একার আলো সে যে অন্ধকার,
যদি না সবারে অংশ দিতে পারি তার।

(২৬৯)
যাহারা তােমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলাে,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালাে?

(২৭০)
অভাবে স্বভাব নষ্ট

(২৭১)
বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র।

(২৭২)
পড়িলে বই, আলোকিত হই; না পড়িলে বই, অন্ধকারে রই।

(২৭৩)
ভুল করা মানবিক, ক্ষমা করা স্বর্গীয়

(২৭৪)
যার অল্প আছে সে দরিদ্র নয়, যে বেশি আশা করে সেই দরিদ্র

(২৭৫)
যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ

(২৭৬)
জ্ঞান অন্বেষণকারী এবং সম্পদলোভী মানুষ কখনো তৃপ্ত হতে পারে না

(২৭৭)
কর্মদক্ষতাই মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু

(২৭৮)
কর্মঠ লোক রাজা হবে, কিন্তু অলস চিরদিনঅই প্রজা থাকবে

(২৭৯)
অধিক সন্নাসীতে গাজন নষ্ট

(২৮০)
ঊর্ধ্বশির যদি তুমি কুল-মান-ধনে;
করিও না ঘৃণা তবু নিশিচর জনে।

(২৮১)
ও ভাই, ভয়কে মোরা জয় করিব হেসে
গোলাগোলির গোলেতে নয়,গভীর ভালোবেসে।

(২৮২)
বিশ্বজোড়া পাঠশালা মাের সবার আমি ছাত্র,
নানাভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবারাত্র।
এই পৃথিবীর বিরাট খাতায় পাঠ্য যে সব পাতায় পাতায়
শিখছি সে সব কৌতুহলে - সন্দেহ নাই মাত্র।

(২৮৩)
সন্ধ্যা যদি নামে পথে, চন্দ্র যদি পূর্বাচল কোণে
না হয় উদয়
তারকার পুঞ্জ যদি নিভে যায় প্রলয় জলদে
না করিব ভয়
হিংস্র ঊর্মি ফণা তুলি বিভীষিকা মূর্তি ধরে যদি
গ্রাসিবারে আসে
সে মৃত্যু লংঘিয়া যাব সিন্ধুপারে, নবজীবনের
নবীন আশ্বাসে ৷

(২৮৪)
বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা
বিপদে আমি না যেন করি ভয়!
দুঃখতাপে ব্যথিত চিত্তে নাইবা দিলে সান্ত্বনা
দুঃখ যেন করিতে পারি জয়।

(২৮৫)
শক্তি মরে ভীতির কবলে পাছে লোকে কিছু বলে।

(২৮৬)
বুঝেছি সত্য ক্রীতদাসত্ব কত যন্ত্রণাময়;
মানুষের হাতে, হায় রে মানুষ কত লাঞ্চনা সয়।

(২৮৭)
মূর্খ বন্ধুর চেয়ে জ্ঞানী শত্রু ভালো।

(২৮৮)
শুধু পড়াশোনাতে কিছু হয় না; বাজনার বোল লোকে, বেশ মুখস্ত বলতে পারে; হাতে আনা বড় শক্ত।

(২৮৯)
সে লড়াই ঈশ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই; যে যুদ্ধে ভাইকে মারে ভাই।

(২৯০)
রাজা ভাবে, নব নব আইনের ছলে ন্যায় সৃষ্টি করি আমি। ন্যায় ধর্ম বলে, আমি পুরাতন, মোরে জন্ম কেবা দেয় যা তব নতুন সৃষ্টি সে শুধু অন্যায়।

(২৯১)
কুসুমের সহকীট সুর শিরে যায়, সেই রূপ সাধু-সঙ্গ অধমে তরায়।

(২৯২)
অন্য খরচের চেয়ে বাজে খরচেই মানুষকে চেনা যায়, কারণ মানুষ ব্যয় করে বাঁধা নিয়ম অনুসারে, অপব্যয় করে নিজের খেয়ালে।

(২৯৩)
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর
আপন করিতে কাদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

(২৯৪)
নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো,
যুগ জনমের বন্ধু আমার আঁধার ঘরের আঁলো।
অথবা,
নিন্দুক সে বেঁচে থাকুক বিশ্বহিতের তরে,
আমার আশা পূর্ণ হবে তাহার কৃপা ভরে।

(২৯৫)
সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবী
অবাক তাকিয়ে রয়;
জ্বলে-পুড়ে মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।

(২৯৬)
উচ্চ শির যদি তুমি কুল মান ধনে
করিও না ঘৃণা তবু নীচ-শির জনে।

(২৯৭)
টিকি মুণ্ডে চড়ি উঠি কহে ডগা নাড়ি
হাত-পা প্রত্যেক কাজে ভুল করে ভারি।
হাত-পা কহিল হাসি ‘হে অভ্রান্ত চুল,
কাজ করি আমরা যে, তাই করি ভুল।

(২৯৮)
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সবার জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি-
নব জাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।

(২৯৯)
শূন্য কলসি বাজে বেশি।
অথবা,
অসারে তর্জন গর্জন সার।

(৩০০)
লাইব্রেরি জাতির সভ্যতা ও উন্নতির মানদণ্ড

(৩০১)
আপনার জাতীয় অতীত ইতিহাসে যাহার শ্রদ্ধা নাই, সে যেন স্বদেশ প্রিয়তার স্পর্ধা না করে

(৩০২)
আপনি আচরি ধর্ম শিখাও অপরে

(৩০৩)
এ পৃথিবী অলস কর্মভীরুদের জন্য নয়

(৩০৪)
সকল জাতই সৃষ্টি যে তাঁর এ বিশ্বমায়ের বিশ্বময়
মায়ের ছেলে সবাই সমান, তার কাছে নাই আত্মপর।

(৩০৫)
চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং শিক্ষক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts