শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধ সমূহ : মডিউল-৫ : সেশন-২

মডিউল-৫/সেশন-২

শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ

(Prescription Only Medicines)

শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহিত ওষুধ সমূহ :
শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা/অসুখের প্রতিরোধ বা আরোগ্যলাভে যে সকল ওষুধ ব্যবহিত হয়, সেগুলোকে শ্বাসতন্ত্রের ওষুধ বলে। বেটা ২- এ্যাগোনিস্ট (Beta 2-agonists), ও জ্যানথান (Xanthan) জাতীয় ওষুধগুলো মারাত্বক তীব্র হাঁপানির ক্ষেত্রে শিরায় ব্যবহিত হয়। প্রয়োজনে মুখেও সেবন করা যেতে পারে। বেকলোমেথাসন ডাইপ্রোপায়োনেট, ফ্লুটিকাসন প্রোপায়োনেটও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহিত হয়। ইনডাক্যটেরল, সালনেটেরল, ইপারাট্রোপিয়াম ব্রোমাইড, থিওফাইলিন, বুডেসোনাইড, কিটোটিফেন, মন্টেলুকাস্ট, নেবুলাইজার, এ্যামব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড, ডেক্সট্রোমেথরফেন, এন্টিহিস্টামিন, সাইক্লোসোনাইড, এডরেনালিন ইত্যাদি ওষুধসমূহ শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় সচরাচর ও বহুল ব্যবহিত ওষুধ।

হাঁপানীর কারণ সমূহ :
— বাড়ীতে বিড়াল থাকলে;
— তেলাপোকা থাকলে;
— ধূমপান করলে;
— বাড়ীর ধূলায় ক্ষুদ্র পরজীবী থাকলে;
— শরীরচর্চা/ব্যায়াম;
— পারফিউম ব্যবহার করলে;
— ঠান্ডা আবহাওয়া।

সালবিউটামল :
— সালবিউটামল হচ্ছে স্বল্পসময়ের জন্য কার্যকরী B2 এড্রেনার্জিক রিসেপ্টর।
— সালবিউটামল ব্যবহিত হয় হুইজিং, ঘন ঘন শ্বাস, কাশি ও বুক চেপে আসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য, যেগুলোর কারণ হচ্ছে হাঁপানি এবং সিওপিডির মত ফুসফুসের রোগ।

বামবিউটেরল :
বামবিউটেরল হচ্ছে টারবিউটালিনের প্রোড্রাগ যা ক্রনিক হাঁপানির জন্য দেয়া হয়।

বেকলোমেথাসন :
বেকলোমেথাসন একটি সিনথেটিক ষ্টেরয়েড যা হাঁপানির জন্য দেয়া হয়।

বিটলটেরল :
বিটলটেরল একটি ব্রঙ্কোডাইলেটর, যা হাঁপানি ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের রোগে সৃষ্ট ব্রঙ্কোস্পাজম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দেয়া হয়।

বিউডেসোনাইড :
— বিউডেসোনাইড একটি কর্টিকোষ্টেরয়েড যা ইনফ্ল্যামেটরী বাওয়েল ডিজিজ/আইবিএস, হাঁপানি ও শ্বাসের সমস্যাতেও দেয়া হয়।

ব্রমহেক্সিন একটি মিউকোলাইটিক এজেন্ট যা আঠালো ও অতিরিক্ত মিউকাসযুক্ত শ্বাসতন্ত্রের রোগে ব্যবহিত হয়।

এমব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড (নির্দেশনা) :
একিউট ব্রঙ্কাইটিসসহ আঠালো মিউকাসযুক্ত একিউট ও ক্রনিক শ্বাসতন্ত্রের রোগ, প্রডাকটিভ কাশি, ল্যারিনজাইটিস, ফ্যারিনজাইটিস, সাইনুসাইটিস ও রাইনাইটিস, এজমাটিক ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিয়েকটাসিস ও ক্রনিক নিউমোনিয়া।
সতর্কতা : গ্যাসট্রিক ও ডিওডেনাল আলসার, কনভালসিভ ডিসঅর্ডার, রেনাল ও হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট রোগীকে সাবধানে দিতে হবে।
মাত্রা : ১০ বছরের বেশী ও বয়স্কদের জন্য ১০ মিলি (২ চা-চামচ) দিনে ৩ বার; ৫-১০ বছরের শিশুদের জন্য ৫ মিলি (১ চা-চামচ) দিনে ২-৩ বার।

রক্তস্বল্পতা (এনিমিয়া) ও অন্যান্য রক্ত জনিত রোগ সমূহে ব্যবহিত ওষুধসমূহ :
এধরনের কতকগুলো ওষুধের উদাহরণ হলো- ফেরাস সালফেট, ফেরাস ফিউমারেট, ফলিক এসিড, আয়রন ডেক্সট্রান, সায়ানোকোবালামিন ইত্যাদি।
বিরুদ্ধ ব্যবহার (Contraindications)
— গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালীন সময়ে;
— যেসকল রোগীর হাঁপানি (Asthma) রোগ এর ইতিহাস আছে;
— বুকেব্যথা (Angina);
— এ্যারিথমিয়া (Arrythmia);
— একিউট রেনাল ফেইলিওর;
— প্রকট যকৃত/লিভার সংক্রান্ত রোগ (Severe Liver Disease)।

কার্ডিওভাসকুলার (হৃদরোগজনিত) রোগসমূহে ব্যবহিত ওষুধ সমূহ :
এধরনের কতকগুলো ওষুধের উদাহরণ হলো-এটিনোলল, কার্ভেডিলল, র‍্যামিপ্রিল, লোসারটান, ভালসারটান, বেনেজাপ্রিল, এ্যামলোডিপিন ইত্যাদি।
নির্দেশনা :
— মাইওকার্ডিয়াল ইনফার্কশন;
— হাইপারটেনশন;
— এনজিনা;
— কার্ডিয়াক এ্যারিথমিয়া;
— হার্টফেইলিওর;

এন্ডোক্রাইন (অন্তঃক্ষরাগ্রন্থি) তন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যায় ব্যবহিত ওষুধসমূহ :
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যা বা আক্রান্ত রোগসমূহ প্রতিরোধে কিংবা এধরনের সমস্যা/রোগসমূহ- হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোথাইরয়েডিজম, থাইরোটক্সিকোসিস, ডায়াবেটিস মেলাইটাস ইত্যাদি থেকে আরোগ্য লাভে এ ধরনের ওষুধ ব্যবহিত হয়ে থাকে। এধরনের কতকগুলো ওষুধের উদাহরন হলো- ইনসুলিন, আয়োডিন, কার্বিমাজোল, প্রেডনিসোলোন, হাইড্রোকর্টিসন ইত্যাদি।

এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ :
পেনিসিলিন হচ্ছে ব্যাকটেরিয়াঘাতী বিটা ল্যাকটাম এন্টিবায়োটিক।
পেনিসিলিনের কিছু উদাহরণ হচ্ছে : পেনিসিলিন জি, পেনিসিলিন ভি, বেনজাথিন পেনিসিলিন, ক্লোক্সাসিলিন, ফ্লুক্লক্সাসিলিন, এমক্সিসিলিন, এমপিসিলিন ইত্যাদি।

পেনিসিলিনের নির্দেশনা :
পেনিসিলিন জি : স্ট্রেপটোকক্কাল ফ্যারিনজাইটিস, আথ্রাইটিস, মেনিনজাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস, মেনিনগোকক্কাল রোগ, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, এন্থ্রাক্স, সিফিলিস, গনোরিয়া, একটিনোমাইকোসিস, গ্যাস গ্যাংগ্রিন, কাররানকল, ডিপথেরিয়ার বাহক পর্যায় দূর করা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে বাদ দেয়ার সার্জিক্যাল প্রোফাইল্যাক্সিস, নিউমোকক্কাল সংক্রমন।
পেনিসিলিন ভি : টনসিলাইটিস, অটাইটিস মিডিয়া, এরিসেপেলাস, রিউমেটিক ফিভারের প্রোফাইল্যাক্সিস, নিউমোকক্কাল সংক্রমন।
ফ্লুক্লোক্সাসিলিন : বিটা-ল্যাকটামেজ তৈরি এমন স্ট্যাফাইলোকক্কাল সংক্রমন, অটাইটিস এক্সাটার্নাসহ এডজাংক ইন নিউমোনিয়া; ইমপেটিগো; সেলুলাইটিস; অস্টিওমেলাইটিস; এবং স্ট্যাফাইলোকক্কাল এন্ডোকার্ডাইটিস।
এমপিসিলিন : এন্ডোকার্ডাইটিস প্রোফাইলেক্সিস, নিউমোকক্কাল রোগ ও এডজাংক ইন লিস্টোরিয়া মেনিনজাইটিস, ইউটিআই, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমন, ইনভেসিভ সালমোনেলেসিস, মেনিনগোকক্কাল রেগা, লিস্টোরিয়া মেনিনজাইটিস, এইচ পাইলরি সংক্রমন, এন্ডাকার্ডাইটিস প্রোফাইলেক্সিস ও চিকিৎসা।

সেফালোস্পোরিন :
সেফালোস্পোরিন হচ্ছে ব্রড-স্পেকট্রাম, ব্যাকটেরিয়াঘাতী এন্টিবায়োটিক। সেফালোস্পোরিন ও অন্যান্য বিটা ল্যাকটামে পেনিসিলিন-সংবেদনশীল রোগীর প্রায় ১০% এলার্জি হয়।
নির্দেশনা :
সেফ্রাডক্সিল : সেফ্রাডক্সিল ব্যবহৃত হয় মূত্রতন্ত্রের সংক্রমন, সামান্য পলিমাইক্রোবিয়াল সংক্রমন, যেমন- সেলুলাইটিস, সফট টিস্যু এবসেস, অটাইটিস মিডিয়া, সাইনোসাইটিসের জন্য;
সেফ্রাডিন : সেফ্রাডিন ব্যবহৃত হয় সার্জিক্যাল প্রোফাইলেক্সিসের জন্য;
সেফুরোক্সিম : সেফুরক্সিম ব্যবহৃত হয় সার্জিক্যাল প্রোফাইলক্সিস৷ লাইম ডিজিজ, গনোরিয়া ও কমিউনিটি একুয়ার্ড নিউমোনিয়াতে, বিশেষত: বিটাল্যাকটামেজ তৈরি এইচ. ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বি. ক্যাটারালিস বিবেচনার বিষয়।
সেফডিনির : সেফডিনির ব্যবহৃত হয় গনোরিয়া, অটাইটিস মিডিয়া, চামড়া ও সফট টিস্যু সংক্রমণের জন্য যার কারণ এন্টারোব্যাকটেরিয়াসিস, ও বিটাল্যাকটামেজ তৈরি এইচ. ইনফ্লুয়েঞ্জা বা মোরাক্সেলা ক্যাটারালিস ও এন. গনোরিয়ায়;

ম্যাক্রোলাইডস :
মাইক্রোলাইডসগুলো হচ্ছে : এরিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ইরাইথ্রোমাইসিন, রক্সিথ্রোমাইসিন, স্পাইরাথ্রোমাইসিন ইত্যাদি।
ইরাইথ্রোমাইসিন : ব্যবহৃত হয় মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া সংক্রমণ, ক্যামপাইলোব্যাক্টর এন্টেরাইটিস, গর্ভবতীদের ক্ল্যামাইডিয়াল ইউরোজেনিটাল সংক্রমণ, ক্ল্যামাইডিয়াল নিউমোনিয়া, ফিপথেরিয়া, পারটুসিস, লিজিওনেয়ারস ডিজিজ ও একনি ভালগারিস চিকিৎসার জন্য।
ম্যাক্রোলাইডস এর ওষুধ মিথস্ক্রিয়া : এস্টোমিজল, টারফেনাডিন ও সিসাপ্রাইড- এগুলোর সাথে ওষুধটি দেয়া এড়িয়ে চলুন।

গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের ওষুধ :
গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের ওষুধ এর উদাহরণ: এন্টাসিডে এলুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আছে, ডমপেরিডন, এপ্রিপিট্যান্ট, রেনিটিডিন, ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল, ওআরএস, চালের ওআরএস, টেট্রাসাইক্লিন, সিপোফ্লাক্সাসিন, অলভেরাইন সাইট্রেট, রাবিপ্রাজল, সালফাস্যালাজিন, অন্ডানসেট্রন, ইসোমিপ্রাজল, সিমেটিডিন, হেসপেরিডিনসহ ডায়াসমিন, মিসোপ্রস্টল, ট্রাইমেবুটিন ম্যালিয়েট, লোপেরামাইড হাইড্রোক্লোরাইড, ড্রোটাভেরিন হাইড্রোক্লোরাইড, নিটাজোক্সানাইড ইত্যাদি।

গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের ওষুধ প্রতিনির্দেশনা/বিরুদ্ধ-প্রতিক্রিয়া।
— একিউট পরফাইরিয়া, হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট, গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ দেয়া ও ১৮ বছরের নীভে শিশু;
— এন্টাসিড বিশেষভাবে অন্য ওষুধের সায়হে দেয়া উচিত নয়, কারণ, এটা শোষণ কমিয়ে দিতে পারে;
— ওমেপ্রাজল, মহিলাদের তীব্র বা জটিল রিফ্লাক্স ডিজিজের কারণ হতে পারে
— রাবেপ্রাজল, গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ দেয়ার সময় বাদ দিতে হবে;
— মিসোপ্রস্টল, সন্তানধারণের সক্ষম মহিলাদের ব্যবহার করা উচিত নয় যতক্ষণ পর্যন্ত কোন NSAID প্রয়োজন না হয়, কারণ তারা এর ফলে হওয়া আলসারের অতিঝুঁকিতে থাকে;
— ট্রাইমাবুটিনে এলার্জি আছে এমন কারো ট্রাইমেবুটিন ম্যালিয়েট নেয়া উচিত নয়।

ইরেক্টাইল ডিসফাংশান চিকিৎসার ওষুধ :
পুরুষত্বহীনতার ওষুধ, ইরেক্টাইল ডিসফাংশানের চিকিৎসা করে ও পুরুষকে যৌনমিলনে সক্ষম করে। সাধারণত: এরা ভ্যাসোডাইলেশন করে পেনিসে রক্তের প্রবাহ বাড়ায় ও ইরেকশন করে। উদাহরণ: সিলডেনাফিল, এলপ্রোসটাডিল, ভার্ডেনাফিল, টাডালাফিল ইত্যাদি।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওষুধসমূহ :
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওষুধসমূহ হলো সেগুলো যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র যথা : ব্রেইন (Brain) স্পাইনাল কর্ড (Spinal Chord) কে প্রভাবিত করে ও সাড়া জাগায় যা ব্যবহার করে কোন নির্দিষ্ট শারীরিক কষ্ট লাঘব করা হয় থাকে। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কতকগুলো ওষুধের উদাহরণ হলো- হিপনোটিকস, এনজিওলাইটিকস, মানসিক অসুস্থতায় যে সকল ওষুধ ব্যবহৃত হয়, পারকিনসনিজম রোগে যে সকল ওষুধ ব্যবহৃত হয়, এপিলেপসি রোগে যে সকল ওষুধ ব্যবহৃত হয় এবং অবসাদগ্রস্ততা উপশমকারী ওষুধ।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওষুধসমূহের শ্রেণিবিভাগ :
হিপনোটিকস ও এ্যানজিওলাইটিকস : বেনজোডায়জেপিন, ব্রোমাজেপাম, ডায়াজিপাম, লরাজিপাম ইত্যাদি;
মানসিক অসুস্থতায় ব্যবহিত ওষুধ : ফ্লুপেনটিক্সল, ক্লোজাপিন, রিসপেরিডোন, হ্যালোপেরিডল ইত্যাদি;
অবসাদগ্রস্ততা উপশমকারী ওষুধ : এমিট্রিপটাইলিন, ফ্লুওক্সেটিন, ফেনেলজিন ইত্যাদি;
মাদকাসক্তি নিরাময়ে ব্যবহিত ওষুধ : বিউপ্রোপিত্তন;
ব্যাথানাশক :
Opioids : মরফিন, পেথিডিন, ট্রামাডল ইত্যাদি।
Non-Opioids : প্যারাসিটামল, এসিটাইল স্যালিসাইলিক এসিড ইত্যাদি।
স্নায়ুর ব্যথায় ব্যবহিত ওষুধ : কার্বামাজেপিন, এমিট্রিপটাইলিন, ইত্যাদি।
মাইগ্রেন-এ ব্যবহিত ওষুধ : মেটোক্লোরপ্রামাইড, ফেনোথায়াজিন ইত্যাদি।
এপিলেপসিতে ব্যবহিত ওষুধ : কার্বামাজেপিন, ক্লোনাজেপাম, গাবাপেনটিন ইত্যাদি।
পারকিনসনিজম এ ব্যবহিত ওষুধ : লিভোডোপা, অ্যামানটাডিন।
পেটের মাংসপেশীর আকস্মিক ব্যথায় ব্যবহিত ওষুধ : হাইওসিন, টাইমোনিয়াম।
বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরানোর ওষুধ : ডমপেরিডন, প্রোমেথাজিন, মেট্রোক্লোপরামাইড, ফেনোথায়াজিন, সিনারিজন, অনডানসেট্রোন ইত্যাদি।
স্থুলতা চিকিৎসায় ব্যবহিত ওষুধ : ফ্লুওক্সোটিন।
স্মৃতিভ্রংশে ব্যবহিত ওষুধ : রিভাস্টিনামিন, গ্যালানটামিন, ডোনেপেজিল।

পুষ্টির অভাব জনিত রোগে ব্যবহিত ওষুধ সমূহ :
এ ধরনের ওষুধের উদাহরণ হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট, খনিজ লবণ, জিঙ্ক, ভিটামিন, এলবুমিন ইনফিউশন ইত্যাদি।
নির্দেশনা :
— অস্টিওম্যালেসিয়া;
— অস্টিওপোরোসিস;
— হাইপো-ক্যালসেমিক টিটানি;
— তীব্র হাইপোএ্যালবুমিনেমিয়া;
— অন্ত্রের ত্রুটিপূর্ণ বিশোষণ।

চর্ম রোগের ওষুধসমূহ :
চর্মরোগের ওষুধগুলোর মধ্যে কতগুলো উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- জেন্টামাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন, ক্লটরিমাজল, কিটোকোনাজল, ফ্লুকোনাজল, ব্যাসিট্র্যাসিন, মিউপিরোসিন ইত্যাদি।

জাফিরলুকাস্ট ওষুধটি কাদের ব্যবহার করা উচিত না? — স্তন্যদানকারী বা লিভার সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের।

ইনফ্ল্যামেটরী বাওয়ের ডিজিস/আইবিএস রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহার করা হয়? — বিউডেসোনাইড।

কাশি বের করার জন্য নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — এমব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড।

কাশি নিবারণকারী হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহিত হয় না? — এমব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড।

কাশি নির্গমনকারী ও স্বস্তিদানকারী হিসেবে নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — এমব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড।

নিচের কোনটি বিটা এগানিষ্ট ব্রংকোডায়লেটর? — সালমেটেরল।

নিচের কোনটি এন্টিহিস্টামিন ব্রংকোডাইলেটর? — কিটোটিফেন।

নিচের কোনটি বিটা এগানিষ্ট ব্রংকোডাইলেটর? — সালবিউটামল

শ্বসনতন্ত্রের অসুখে ব্যবহিত এন্টিইনফ্লামেটরী ওষুধ কোনটি? — জাফিরলুকাষ্ট।

শ্বসনতন্ত্রের অসুখে ব্যবহিত এন্টিইনফ্লামেটরী ওষুধ নয় কোনটি? — কিটোটিফেন।

নিচের কোনটি লিউকোট্রিন এন্টাগোনিষ্ট? — জাফিরলুকাষ্ট।

স্টেরয়েডাল এন্টিইনফ্লামেট্রী ওষুধ নিচের কোনটি? — প্রেডনিসোলন, বেক্লোমিথাসন ও হাইড্রোকর্টিসন।

কাশু বন্ধের ওষুধ নিচের কোনটি? — ডাইফেনহাইড্রমিন।

ড্রেক্সটোমিথোফেরন কি জাতীয় ওষুধ? — এন্টিটুসিভ।

এমব্রক্সল কি জাতীয় ওষুধ? — মিউকোলাইটিক।

ব্রমহেক্সিন কি জাতীয় ওষুধ? — মিউকোলাইটিক।

কফ বের হতে সাহায্য করে নিচের কোনটি? — ব্রমহেক্সিন।

নিচের কোন ওষুধটি মিউকোলাইটিক হিসাবে ব্যবহার করা যায় না? — গুয়াফেনেসিন।

কফ পাতলা হতে সাহায্য করে নিচের কোনটি? — মিথাইল সিষ্টিন।

নিচের কোনটি রক্তজনিত রোগ নয়? — যক্ষ্মা।

রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেওয়ায় ব্যবহিত ওষুধ কোনটি? — হেপারিন।

রক্তপাত বন্ধের ওষুধ কোনটি? — এমিনোক্যাপরিক এসিড।

ফিব্রিনোলাইটিক্স জাতীয় ওষুধ নিচের কোনটি? — ক্লোপিডগ্রেল।

এন্টিপ্লেটলেট জাতীয় ওষুধ কোনটি? — ক্লোপিডগ্রেল।

কোনটি এন্টিফিব্রিনোলাইটিক্স জাতীয় ওষুধ? — ট্রানেক্সামিক এসিড।

বিটা ব্লকার জাতীয় ওষুধ কোনটি? — মেটোপ্রোলল, বিসোপ্রোলল ও টিমোলল।

নিচের কোনটি আলফা ব্লকার? — প্রাজোসিন, টেরাজোসিন, ট্যামসুলোসিন।

নিচের কোনটি ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার? — নিফেডেপিন, ভেরাপামিল, ডিলটিয়াজেম।

নিচের কোনটি ডাইইউরেটিক নয়? — ক্লনিডিন।

নিচের কোনটি উচ্চ রক্তচাপে ব্যবহিত ওষুধ? — মিথাইল ডোপা।

সেন্ট্রালি অ্যাকটিং এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ কোনটি? — ক্লনিডিন।

নিচের কোনটি এন্টি এনজাইনাল ওষুধ? — আইসোসরবাইড মনোনাইট্রেট।

এনজিনা পেকটোরিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত ওষুধ নিচের কোনটি?
— গ্লিসারাইল ট্রাইনাইট্রেট;
— আইসোসরবাইড ডাইনাইট্রেট;
— আইসোসরবাইড মনোনাইট্রেট।

রক্তের অতিরিক্ত চর্বি কমানোর ওষুধ কোনটি? — জেমফাইব্রোজিল, এটোরভাসটাটিন, সিমভাসটাটিন।

নিচের কোনটি কার্ডিওটনিক ওষুধ? — ডোপামিন, ডিগক্সিন, ডিজিটক্সিন।

এন্টি এরিথমিক বা হৃদপিন্ডের অস্বাভাবিক স্পন্দন হলে নিচের কোনটি ব্যবহিত হয়? — মেটোপ্রোলল, লিগনোকেইন, ভেরাপামিল।

ডোপামিন কি জাতীয় ওষুধ? — কার্ডিওটনিক।

ফ্লেকেইনামাইড কোন ধরণের ওষুধ? — এন্টিএরিথমিক।

হৃদপিন্ডের সংকোচনকে ত্বরান্বিত করে কোন ওষুধ? — ডিগক্সিন।

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যায় নিচের কোন রোগটি হতে পারে?
— থাইরোটক্সিকোসিস;
— হাইপোথাইরয়েডিজম;
— ডায়াবেটিস বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া।

ওরাল এন্টিডায়াবেটিকস কোনটি? — মেটফরমিন, পায়োগ্লিটাজোন, নেটেগ্লিনাইট।

পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক? — ব্যাকটেরিয়াঘাতী ও বিটা ল্যাকটাম।

কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যাকটেরিয়াঘাতী? — পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন।

কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক? — মাইক্রোলাইডস।

পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ নিচের কোনটি? — এমপিসিলিন।

কোনটি পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ? — ক্লোক্সাসিলিন, ফ্লুক্সাসিলিন, পেনিসিলিন।

পেনিসিলিন ওষুধ দেওয়ার পর কতক্ষণ পরে দেহে দানা উঠলে একে পেনিসিলিনের এলার্জি বলে বিবেচনা করা হবে না? — ৭২ ঘন্টা।

মেনিনজাইটিস রোগের জন্য কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যবহিত হয়? — পেনিসিলিন জি।

সিফিলিস ও গনোরিয়া রোগের জন্য কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যবহিত হয়? — পেনিসিলিন জি।

টনসিলাইটিস রোগের জন্য কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যবহিত হয়? — পেনিসিলিন ভি।

এইচ পাইলরি সংক্রমণ রোগের জন্য কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যবহিত হয়? — এমপিসিলিন।

ক্রনিক ব্রংকাইটিস রোগের জন্য কোন এন্টিবায়োটিকটি ব্যবহিত হয়? — এমপিসিলিন।

সেফালোস্পোরিন জাতীয় ওষুধ কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক?
— ব্যাকটেরিয়াঘাতী;
— বিটা ল্যাকটাম;
— ব্রড-স্পেকট্রাম।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন এন্টিবায়োটিক কোনটি? — সেফালোথিন এবং সেফাজোলিন।

মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণে নিচের কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক টি ব্যবহিত হয়? — সেফ্রাডক্সিল।

রিকারেন্ট ইউটিআই কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহিত হয়? — সেফালেক্সিন।

সার্জিক্যাল প্রোফাইলেক্সিসের জন্য নিচের কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক টি ব্যবহিত হয়? — সেফ্রাডিন, সেফুরোক্সিম, সেফট্রিয়াক্সোন।

উর্ধ্ব শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক টি ব্যবহিত হয়? — সেফপোডেক্সিম ও সেফপ্রোজিল।

নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক টি ব্যবহিত হয়? — সেফডিনির
সাইনোসাইটিস এবং চামড়া ও সফট টিস্যু সংক্রমণের জন্য কোন সেফালোস্পোরিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক টি ব্যবহিত হয়? — সেফিক্সিম।

কোনটি টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক? — ডক্সিসাইক্লিন, টেট্রাসাইক্লিন, মাইনোসাইক্লিন।

কোনটি ম্যাক্রোলিডস? — এজিথ্রোমাইসিন।

ম্যাক্রোলাইডস গ্রুপের এন্টিবায়োটিক কোনটি? — এজিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ইরাইথ্রোমাইসিন।

ম্যাক্রোলাইডস গ্রুপের এন্টিবায়োটিক নয় কোনটি — সিপ্রোসিন।

ম্যাক্রোলাইডস গ্রুপের এন্টিবায়োটিক সমূহের সাথে কোনটির মিথস্ক্রিয়া হয়? — সিসাপ্রাইড, এস্টেমিজল, টারফেনাডিন।

নিচের কোনটি এমাইনোগ্লাইকোসাইড? — এমিকাসিন।

নিচের কোনটি এমাইনোগ্লাইকোসাইড নয়? — এজিথ্রোমাইসিন।

নিচের কোনটি এন্টিটিউবারকুলার ওষুধ? — ইথামবিউটামল, আইসোনিয়াজাইড, রিফামপিসিন।

নিচের কোনটি যক্ষা রোগের ওষুধ? — পাইরাজিনামাইড।

নিচের কোনটি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের রোগ? — পেপটিক আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডিসপেপসিয়া।

নিচের কোনটি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের রোগ নয়? — ইউটিআই।

নিচের কোনটি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল সিস্টেমের ওষুধ? — ডমপেরিডন, ল্যানসোপ্রাজল, এন্টাসিড।

নিচের কোন ওষুধটি অন্য ওষুধের সাথে দেওয়া উচিত নয়? — এন্টাসিড।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদান করার সময় কোন ওষুধগুলো দেওয়া উচিত নয়? — ড্রোটাভেরিন হাইড্রোক্লোরাইড, রাবিপ্রাজল, ট্রাইমেবুটিন ম্যালিয়েট।

সন্তান ধারণে সক্ষম মহিলাদের কোন ওষুধটি ব্যবহার করা উচিত নয়? — মিসোপ্রস্টল।

ট্রাইমেবুটিন ম্যালিয়েট ব্যবহারে নিচের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে? — ডায়রিয়া, বমিবমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য।

অলভেরাইন সাইট্রেট ব্যবহারে নিচের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে? — বমিবমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া।

প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর ব্যবহারে নিচের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে? — বমি, পেট ব্যাথা/ফাপা, ডায়রিয়া, আরটিকারিয়া।

পেপটিক আলসার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত ওষুধ নিচের কোনটি? — রেনিটিডিন, ল্যানসোপ্রাজল, এন্টাসিড।

পেপটিক আলসার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত ওষুধ নিচের কোনটি? — ল্যানসোপ্রাজল, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ওমেপ্রাজল।

নিচের কোনটি এইচ টু ব্লকার? — রেনিটিডিন।

নিচের কোনটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর নয়? — রেনিটিডিন।

নিচের কোনটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর হিসেবে ব্যবহিত হয় না? — মিডাজোলাম।

বমি বন্ধে নিচের কোনটি ব্যবহিত হয় না? — জিংক।

নিচের কোনটি পাতলা পায়খানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত হয় না? — এন্টিএমিটিক।

পাইলস রোগের চিকিৎসায় নিচের কোনটি ব্যবহিত হয়? — ডায়োসমিন, হেসপিরিডিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন।

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহার করা হয়? — ভার্ডেনাফিল, টাডালাফিল/সিলডেনাফিল, এলপ্রোসটাডিল।

প্রসব করাতে ও নির্বাচিত গর্ভপাত ঘটাতে কোন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়? — ইউরোটনিক এজেন্ট।

মহিলাদের জেনিটোইউরিনারি সিস্টেমের রোগ :
— ভ্যাজাইনাল বার্নিং, ইচিং;
— ইউরেনারি ট্রাক্ট সংক্রমন;
— ভ্যাজাইনাল ইস্ট সংক্রমন।

পুরুষদের জেনিটোইউরিনারি সিস্টেমের রোগ :
— ইরেক্টাইল ডিসফাংশান;
— পেনাইল ও স্ক্রোটাইল সমস্যা;
— প্রস্টেট ডিজিজ।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের চিকিৎসায় কোন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়?
— মানসিক অসুস্থ্যতার ওষুধ;
— হিপনোটিকস ও এ্যানজিওলাইটিকস;
— এন্টিডিপ্রেসেন্ট ও মাদকাসক্তি নিরাময়ের ওষুধ।

মাদকাসক্তি নিরাময়ে নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহার করা হয়? — বিউপ্রোপিত্তন।

অপিওয়েড জাতীয় ব্যাথানাশক ওষুধ নিচের কোনটি? — মরফিন।

স্নায়ুর ব্যাথায় কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — কার্বামাজেপিন।

মাইগ্রেনের ব্যাথায় কোন ওষুধ টি ব্যবহিত হয়? — মেটোক্লোরপ্রামাইড।

মাইগ্রেনের ব্যাথায় কোন ওষুধ টি ব্যবহিত হয়? — ফেনোথায়াজিন।

এপিলেপসিতে কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — গাবাপেন্টিন, ক্লোনাজেপাম, কার্বামাজেপিন।

পারকিনসনিজম রোগে নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — লিভোডোপা।

বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরানো ওষুধ নিচের কোনটি? — প্রোমেথাজিন, ডমপেরিডন, অনডানসেট্রন।

স্থুলতা চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — ফ্লুওক্সোটিন।

স্মৃতিভ্রংশ চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — গ্যালানটামিন, রিভাস্টিনামিন, ডোনেপেজিল।

নিচের কোন ওষুধটি স্নায়ুতন্ত্রের অসুখে ব্যবহিত হয়? — মিডাজোলাম।

নিচের কোন ওষুধটি সিডেটিভ-পিকনোটিক হিসাবে ব্যবহিত হয়? — গাবাপেন্টিন।

নিচের কোন ওষুধটি খিঁচুনি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত হয়? — কার্বামাজেপিন, ফেনিটোয়িন, ভ্যালপ্রোয়িক এসিড।

নিচের কোন ওষুধটি অনিদ্রা ও টেনশন দূরীকরণে ব্যবহিত হয়? — মিডাজোলাম।

বিষন্নতা রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — এমিট্রিপটাইলিন।

বিষন্নতা রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — সারট্রালিন, ফ্লওক্সিটিন, নরট্রিপটাইলিন।

নিচের কোনটি এন্টিড্রিপ্রেসেন্ট জাতীয় ড্রাগ? — ফেনেলজিন, সারট্রালিন, এমিট্রিপটাইলিন।

নিচের কোনটি ব্যাথানাশক ওষুধ? — ইনডোমাথাসিন।

নিচের কোনটি ব্যাথানাশক ওষুধ? — মেথাডোন, মরফিন, কিটোরোলাক।

মাথা ব্যাথা রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — পিজোটিফেন।

মাথা ব্যাথা রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — প্যারাসিটামল, এমিটিপটাইলিন, সুমাট্রিপটান।

পারকিনসনিজম রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — লভোডোপা।

কোনটি এন্টিপারকিনসোনিয়ান ওষুধ? — প্রোসাইক্লিডিন।

সিজোফেনিক রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — হ্যালোপেরিডল।

সিজোফেনিক রোগের চিকিৎসায় নিচের কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — হ্যালোপেরিডল, রিসপেরিডন, ওলানজেপিন।

নিচের কোনটি লোকাল এনেসথেটিক হিসাবে ব্যবহিত হয়? — লিগনোকেইন, প্রোকেইন।

নিচের কোনটি জেনারেল এনেসথেটিক হিসাবে ব্যবহিত হয়? — ফেন্টারিন, কেটামিন, থায়োপেন্টাল সোডিয়াম।

স্কাবিস রোগের চিকিৎসায় কোনটি ব্যবহিত হয়? — ক্রোটামিন, পারমেথ্রিন, বেনজাইল বেনজোয়েট।

একনি রোগের চিকিৎসায় কোন ওষুধটি ব্যবহিত হয়? — ক্লিনডামাইসিন, ডক্সিসাইক্লিন।

পুষ্টির অভাবজনিত কারণে কি কি রোগ হতে পারে?
— অস্টিওম্যালেসিয়া ও অস্টিওপোরোসিস;
— হাইপো-ক্যালসেমিক টিটানি;
— তীব্র হাইপো এ্যালবুমিনেমিয়া।

রক্ত স্বল্পতায় বা হেমাটিনিক রোগে ব্যবহিত ওষুধ :
— হাইপারটেনশন ও এনজিনা;
— মাইওকার্ডিয়াল ইনফার্কশন;
— কার্ডিয়াক এ্যারিথমিয়া ও হার্টফেইলর।

রক্ত স্বল্পতায় বা হেমাটিনিক রোগে ব্যবহিত ওষুধ :
— ফলিক এসিড;
— ফেরাস সালফেট;
— ভিটামিন বি-১২।

কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম বা হৃদরোগ সংক্রান্ত রোগ :
— হাইপারটেনশন ও এনজিনা;
— মাইওকার্ডিয়াল ইনফার্কশন;
— কার্ডিয়াক এ্যারিথমিয়া ও হার্টফেইলর।

হৃদরোগ সংক্রান্ত রোগে নিচের কোন ওষুধগুলো ব্যবহিত হয়?
— লোসারটান, ভালসারটান, এ্যামলোডিপিন;
— র‍্যামিপ্রিল, বেনেজাপ্রিল;
— এটিনোলল, কার্ভেডিলল।

হাঁপানি বা এজমা রোগের উপসর্গ :
— রাত্রিকালিন কাশি বিশেষ করে শিশুদের;
— ঘনঘ নিঃশ্বাস নেওয়া এবং বুকে চাপ ধরা;
— নিঃশ্বাসের সময় শিসের মত শব্দ হওয়া।

কোন ওষুধ হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহিত হয়?
— বিটলটেরল, বামবিউটেরল;
— সালবিউটামল;
— বেকলোমিথাসন, বিউডেসোনাইড।

সাম্প্রতিক সময়ে যাদের নাকের সার্জারি হয়েছে তাদের কোন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়? — সিকলেসোনাইড এ্যারোসল।

নিচের কোন ওষুধটি তীব্র হাঁপানির ক্ষেত্রে ব্যবহিত হয়? — জ্যানথান, কর্টিকোস্টেরয়েড, বিট ২ এ্যাগোনিস্ট।

ফুসফুসের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শ্বাসকষ্ট এবং নিঃশ্বাসের সময় শিসের মত বা সাঁসাঁ করে শব্দ হয় তাকে কি বলে? — হাঁপানী।

কি কি কারণে হাঁপানি আরম্ভ হতে পারে?
— বাড়িতে বিড়াল তেলাপোকা থাকলে;
— পারফিউম ব্যবহার করলে বা ধুমপান করলে;
— ধূলায় ক্ষুদ্র পরজীবীর উপস্থিতি বা ঠান্ডা আবহাওয়া।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *