e Note Share .com
যক্ষ্মা | মডিউল-৭/সেশন-২ | C Grade ফার্মাসিস্ট কোর্স
| Article Stats | 📡 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 568 words | 4 mins to read |
Total View 2 |
|
Last Updated 1 day ago |
Today View 0 |
মডিউল-৭/সেশন-২
যক্ষ্মা
যক্ষ্মা কি?
যক্ষ্মা একটি জীবাণু ঘটিত সংক্রামক রোগ।
যক্ষ্মা রোগ মানবদেহের যে কোন অঙ্গকে আক্রান্ত করতে পারে তবে ___ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক।
ফুসফুসে।
সমস্ত যক্ষ্মা রোগীর মধ্যে কত % রোগী ফুসফুসের যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন?
৭০-৮০%।
০৪। বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসার সাফল্যের হার বেশ সন্তোষজনক, তবে এখনও পর্যন্ত কত % রোগী সনাক্ত হচ্ছেনা?
৩৩%।
যক্ষ্মারোগ নির্ণয়ের হার বৃদ্ধিতে বড় বাঁধা কি?
সামাজিক অসচেতনতা এবং যক্ষ্মা সম্পর্কিত সঠিক তথ্যের অভাব।
দুই সপ্তাহ বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে কি করতে হবে?
ডাক্তারী পরামর্শ ও কফ পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বাংলাদেশে প্রতিবছর কত লক্ষ লোক যক্ষ্মা রোগে নতুন ভাবে আক্রান্ত হয়?
৩,৬৪,০০০ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বাংলাদেশে প্রতিবছর কত লোক যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুবরণ করে?
৫৯,০০০ হাজার।
অনুমান করা হয়, আমাদের দেশে প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ___ লোক যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত।
অর্ধেক।
বিশ্বের যে ৩০টি দেশের মধ্যে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক, বাংলাদেশ তার মধ্যে ___
অন্যতম।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট ২০১৮ অনুযায়ী বাংলাদেশে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মায় (এমডিআরটিবি) আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আনুমানিক কত?
৮,৪০০ জন।
যক্ষ্মা রোগের লক্ষণগুলো কি কি?
- ২ সপ্তাহের বেশি সময়ব্যাপী কাশি ফুসফুসের যক্ষ্মার প্রধানতম লক্ষণ;
- বিকেলের দিকে অল্প অল্প জ্বর;
- রাতে শরীর ঘেমে যাওয়া;
- খাবারে অরুচি;
- শরীরের ওজন কমে যাওয়া ও দিন দিন দুর্বল হয়ে যাওয়া;
- সাধারণ এন্টিবায়োটিকে জ্বর না সারা;
- রোগ গভীর হয়ে গেলে কাশির সাথে রক্ত যেতে পারে।
কারো যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে তাহলে কি করতে হবে?
দুই সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকলেই কোন ব্যক্তিকে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত বলে অনুমান করতে হবে এবং কফসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, নির্দিষ্ট এনজিও ক্লিনিক যেমন- ব্র্যাক, ডেমিয়েন ফাউন্ডেশন, গণস্বাস্থ্য, সূর্যের হাসি ক্লিনিক এবং সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে।
যক্ষ্মা রোগ কিভাবে ছড়ায়?
রোগীর কফ, হাঁচি- কাশির মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের জীবাণু বের হয়ে বাতাসে মিশে ও প্রশ্বাসের মাধ্যমে তা সুস্থ ব্যক্তির ফুসফুসে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি করে।
চিকিৎসা না নিলে একজন যক্ষ্মারোগী বছরে কত জন রোগীকে আক্রান্ত করতে পারে?
১০ জন।
যক্ষ্মা রোগ কীভাবে ছড়ায় না?
- এক সাথে বসে খাবার খেলে;
- একই পাত্রে পানি পান করলে;
- রোগীর সাথে হাত মেলালে কিংবা কোলাকুলি করলে;
- একই টয়লেট ব্যবহার করলে;
- একই কাপড় কিংবা বিছানা ব্যবহার করলে।
প্রাথমিক পর্যায়ে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা করার উপকারিতা গুলো কি কি?
- চিকিৎসার ফলে ফুসফুস বা অন্য কোন অঙ্গের ক্ষতি ছাড়াই এর নিরাময় সম্ভব হয়;
- চিকিৎসা শুরুর দুই সপ্তাহের মধ্যেই রোগী কাজে ফিরতে পারেন এবং অন্যান্য সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন;
- বিলম্বিত চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে যায়।
যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে অপ্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্য কর্মীদের করনীয় কি?
- সন্দেহজনক যক্ষ্মা রোগীকে রোগের লক্ষণ, কিভাবে ছড়ায় এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে তথ্য দিবেন;
- সন্দেহজনক যক্ষ্মা রোগীকে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, নির্দিষ্ট এনজিও ক্লিনিক যেমন- ব্র্যাক, ডেমিয়েন ফাউন্ডেশন, গণস্বাস্থ্য, সূর্যের হাসি ক্লিনিক এবং সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে;
- সন্দেহজনক যক্ষ্মা রোগীকে কোন প্রকার যক্ষ্মার চিকিৎসার ওষুধ না দিয়ে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়ের জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কিংবা ডাক্তারের কাছে প্রেরণ করবেন এবং সনাক্তকৃত যক্ষ্মার রোগীকে নিম্নোক্ত পরামর্শগুলো দিবেন;
- নিয়মিত সঠিক মাত্রায় ও পূর্ণ মেয়াদে ওষুধ খাবেন;
- নিয়মিত ফলোআপ পরীক্ষাগুলো করাবেন;
- কফ, থুথু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পাত্রে ফেলবেন;
- পরিবারের অন্যদের যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ থাকলে তাদের কফ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিবেন;
- জন্মের পর শিশুকে বিসিজি টিকা দেয়ার ব্যাপারে সকলকে উদ্বুদ্ধ করবেন;
- যক্ষ্মা রোগীর কফ পরীক্ষা ও চিকিৎসা সম্পূর্ণ ফ্রি- এ বিষয়টি সকলকে জানাবেন;
- একজন যক্ষ্মা রোগী কোন প্রকার প্রতারণা ও হয়রানীর শিকার যেন না হন সে বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
Comments (0)