eNoteShare.com

রোগ জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিবন্ধকতা | মডিউল-৭/সেশন-১ | C Grade ফার্মাসিস্ট কোর্স

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
337 words | 2 mins to read
Total View
60
Last Updated
07-Oct-2026 | 09:45 AM
Today View
0

মডিউল-৭/সেশন-১

রোগ জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিবন্ধকতা

(এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স/এএমআর)

কী কারণে রোগের জীবাণুগুলোকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সক্ষম করে তুলছে?

এন্টিবায়োটিক ওষুধের অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মিত ব্যবহারের কারণে।

কী কারণে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেহে এন্টিবায়োটিক ওষুধ কম কার্যকরী অথবা অকার্যকরী হচ্ছে?

এন্টিবায়োটিক ওষুধের অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মিত ব্যবহারের কারণে।

কী কারণে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হ্রাস হচ্ছে যার পরিনতি ভয়াবহ?

এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধের অপ্রয়োজনীয় ও যথেচ্ছা ব্যবহারের কারণে।

এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের কারণগুলো কি কি?

  • নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ও নীতি নির্ধারকদের মনোযোগের অভাব;
  • এন্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ ব্যবহার সম্পর্কে ভ্রান্তজ্ঞান;
  • রোগী, প্রেসক্রিপশনকারী ও ফার্মাসিস্টদের মধ্যে অপর্যাপ্ত আলোচনা বা পরামর্শ;
  • প্রস্তাবিত চিকিৎসার সাথে রোগীর সম্মতি;
  • বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধের সহজল্ভ্যতা;
  • এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধের গুনগত মানের অভাব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করেছে যে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কোন রোগের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে?

সংক্রামক রোগের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য এসেম্বলি রেজ্যুলেশন ১৯৯৮, সদস্য দেশগুলোতে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কি কি পদক্ষেপ নিতে আহবান জানিয়েছিল?

  • এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধের উপযুক্ত ও সাশ্রয়ী ব্যবহারকে উৎসাহিত করা;
  • যোগ্যতাসম্পন্ন ও পেশাদার ফার্মাসিস্ট, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ ডিসপেন্ডিং হতে বিরত থাকা;
  • রোগ সংক্রমণের বিস্তার ও রেজিস্ট্যান্ট রোগজীবাণুর বিস্তার রোধ করার কাজে উন্নয়ন করা;
  • ভেজাল এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রি ও ডিসপেন্ডিং এবং অবৈধ বাজারে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ বিক্রি রোধ করার আইন শক্তিশালীকরণ;
  • পশু খাদ্য উৎপাদনে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ ব্যবহার কমানো।

অতিরিক্ত, অপর্যাপ্ত ও অযৌক্তিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে কি হচ্ছে?

এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর উদ্ভব হচ্ছে।

কখন এন্টিবায়োটিক অকার্যকর?

সাধারণ কাশি এবং ভাইরাস জ্বর এ।

এন্টিবায়োটিক গ্রহণের পূর্বে কার পরামর্শ নিতে হবে?

বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের।

নোট:

অপ্রয়োজনে, অযৌক্তিকভাবে ও অসম্পূর্ণ মেয়াদে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে প্রতিরোধী জীবাণুর মাধ্যমে আমাদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে। এমতাবস্থায়, একজন সচেতন ওষুধ বিক্রেতার, রোগী/রোগীর অভিভাবক হিসেবে করণীয় কি?

  • শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক এন্টিবায়োটিক বিক্রয়, সেবন বা গ্রহণ করতে হবে (বিশেষ ক্ষেত্রে কেবল সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক সরবরাহকৃত এন্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে);
  • এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখিত সময় ও নির্দেশনা মেনে চলতে হবে;
  • শারীরিকভাবে সুস্থ অনুভব করলেও এন্টিবায়োটিকের পূর্ণ কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে;
  • কোন কারণে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষনিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো Microsoft Word ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)

Sribas Ch Das

Founder, Developer, Collecter, Writer & Admin

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং শিক্ষক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts