গুরুত্বপূর্ণ লিংক
এলোমেলো
মনে রাখবেন, বইয়ের ভাষা এবং AI এর ভাষা এক নয়, AI এর ভাষা বা তথ্য আপনার সিলেবাসের সাথে মিল নাও থাকতে পারে, যা পরীক্ষার খাতায় লিখার জন্য উপযুক্ত নয়।
সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সম্মানীত শিক্ষকরা এই ব্লগের Human Writing Content খুব সহজেই হাতের কাছে পাচ্ছেন; যা আমি অনেক সময় ও শ্রম ব্যয় করে সংগ্রহ করছি বা লিখছি এবং প্রতিনিয়ত এই ব্লগে দিয়ে যাচ্ছি।
তাই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, এই ব্লগের জন্য আমার দিতে থাকা সময় ও শ্রমকে ধন্যবাদ জানাতে আশা করি আপনি আপনার বন্ধু বা সহপাঠিদের এই ব্লগ সম্পর্কে জানাবেন এবং শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।
এই কাজ টা শেষ এর দিকে করছে
আকাশ: হ্যাঁ রিমি, তুই ঠিকই বলেছিস। পূর্ণিমার রাতের সৌন্দর্যের সামনে আমরা যেন ক্ষুদ্র।
রিমি: দেখ, চাঁদের আলোতে গাছগুলো যেন রুপালি হয়ে উঠেছে। আর এই নীরবতা! মনে হচ্ছে পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে গেছে।
আকাশ: হুম, এই নীরবতার মধ্যে একটা অদ্ভুত শান্তি আছে। মনে হয় সময় এখন থেমে গেছে।
রিমি: তুই জানিস, আমার ছোটবেলায় দাদু আমাকে অনেক পূর্ণিমার গল্প বলে দিতেন। তিনি বলতেন, পূর্ণিমার রাতে চাঁদ যেন আমাদের সঙ্গে কথা বলে।
আকাশ: আরে, আমার দাদুও তো তেমনি বলতেন! বলতেন, চাঁদে একটা খরগোশ বাস করে, যে রাতের আকাশে গাজর কাটে।
রিমি: (হাসি) হ্যাঁ, আমার দাদুও একই কথা বলতেন। কিন্তু তুই জানিস, পূর্ণিমার রাতে আমাদের মন যেন আরও বড় হয়ে যায়।
আকাশ: হ্যাঁ, হয়তো তাই। এই রাতে আমরা সবাই একটু বেশিই স্বপ্ন দেখি।
রিমি: আকাশ, তুই কোন স্বপ্ন দেখছিস?
আকাশ: আমি দেখছি, একদিন আমরা চাঁদে যাব। হ্যাঁ, চাঁদে! আর সেখান থেকে পুরো পৃথিবীকে দেখব।
রিমি: ওহ! কত সুন্দর স্বপ্ন! আমিও চাই চাঁদে যাওয়ার।
আকাশ: একদিন অবশ্যই যাব আমরা। শুধু একটু ধৈর্য রাখতে হবে।
রিমি: হ্যাঁ, অবশ্যই। তখন আমরা একসাথে চাঁদে বসে পৃথিবীকে দেখব।
আকাশ: হুম, আর সেই সময় আমরা আজকের এই রাতটাকে মনে করব।
রিমি: হ্যাঁ, অবশ্যই। এই রাতটা আমাদের মনে চিরদিন থাকবে।