eNoteShare.com
ভাষণ : এডিস মশার প্রাদুর্ভাব ও ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতা
| Article Stats | 💤 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 377 words | 3 mins to read |
Total View 256 |
|
Last Updated 25-Mar-2023 | 07:48 AM |
Today View 0 |
অথবা, ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি ভাষণ রচনা কর।
২. এডিস মশার বংশবিস্তার অন্যান্য মশার চেয়ে একটু ব্যতিক্রম। এ মশা পরিষ্কার বন্ধ পানিতে ডিম পাড়ে। ড্রেন বা নর্দমার পানিতে এরা ডিম পাড়ে না। সাধারণত বাড়ির আশেপাশে ফুলের টব, ডাবের খোসা, ভাঙা পাত্রে, পুরাতন টায়ার-টিউবের জমে থাকা পানিতে বা দুধ বা আইসক্রিমের কৌটায়, এসি বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। এসব পাত্রে বৃষ্টির পানি জমা হয় বলে পানি পরিষ্কার থাকে।
৩. এডিস মশার আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য এসব স্থানে যাতে ডিম পেড়ে বংশবিস্তার না করতে পারে সেদিকে সর্বাগ্রে খেয়াল রাখতে হবে। এসব স্থানে যেন পানি না জমতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
৪. বাড়িঘরের আশপাশের ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, ডোবার কচুরিপানা পরিষ্কার করে রেখে সেখানে মাঝে মাঝে ওষুধ ছিটাতে হবে যেন মশা ডিম পেড়ে বাচ্চা ফোটাতে না পারে।
৫. এডিস মশা সকালে এবং সন্ধ্যার সময় খাদ্যান্বেষণে বের হয়। তাই এ সময় যেন মশায় কামড়াতে না পারে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৬. ডেঙ্গু রোগীকে মশারির মধ্যে রেখে চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তবাহিত রোগ। মশার মাধ্যমে এ রোগ একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
৭. ডেঙ্গুজুর প্রতিরোধের জন্য মশক নিধনের কার্যাবলি হাতে নিতে হবে।
৮. ডেঙ্গু ও এডিস মশা সম্পর্কে সকলকে ধারণা দিতে হবে এবং সকলেই যদি একযোগে এগিয়ে আসি তাহলে ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্ভব। এজন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন আমাদের সচেতনতা।
Comments (0)