eNoteShare.com

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
319 words | 2 mins to read
Total View
697
Last Updated
25-Mar-2023 | 06:36 AM
Today View
0

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।



গোপালগঞ্জ জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এসেছি। সেখানে নিজ বাড়িতে বাবা আমার পাশে শায়িত রয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও শাহাদাত বার্ষিকীতে শুধু নয়, সারা বছরই হাজার হাজার মানুষ বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসে, তার আত্মার শান্তির জন্য মোনাজাত করে। আমরাও চার বন্ধু পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এবং কমপ্লেক্স ঘুরে দেখতে। বাইগ্য নদীর পাড়ের এই গ্রামটি সবুজ গাছপালা ও বন বনানীবেষ্টিত, সামনে রয়েছে সবুজ ফসলের মাঠ। বড় রাস্তা থেকে গ্রামে ঢুকতেই বামে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, দিঘি, একপাশে হেলিপ্যাড। সামনে কিছুদূর গেলেই বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স। দৃষ্টিনন্দন গেট দিয়ে ঢুকে একপাশে পাঠাগার ও মিউজিয়াম, গবেষণা কেন্দ্র, প্রশাসনিক ভবন, মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া। অন্য পাশে মুক্তমঞ্চ বকুলতলা চত্বর, লেকচার থিয়েটার, বাগান। পুকুর ঘেরা বাগানটি মন জুড়িয়ে দেয়। কমপ্লেক্স এর মূল আকর্ষণ ‘টম্ব’ অর্থাৎ মূলসৌধ। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে গম্বুজ আকারে এই সৌধ নিঃসন্দেহে দৃষ্টিনন্দন। বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্রচিত্তে শ্রদ্ধা নিবেদন করলাম। ভেতরে একপাশে বঙ্গবন্ধুর কবর, অন্যপাশে তার পিতা মাতার কবর। আবেগাপ্লুত হয়ে সূরা ফাতেহা পাঠ শেষে মোনাজাত করলাম। আরো অনেকেই ছিলেন আমাদের সাথে। সবাই অশ্রুসিক্ত। চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি আমরাও। পাশে পুরনো একতলা বাড়ি, যেখানে ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চের জন্মে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। চারপাশে গাছপালা, বন-বনানী। পাঠাগারে গেলাম। এখানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কিত বই ছাড়াও রয়েছে সৃজনশীল অনেক বই। কিছু বই দেখলাম, খুব ভালো লাগলো। দোতলায় উঠতে দুপাশে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম কান্ডের ছবি দিয়ে সাজানো। এখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত স্মৃতিবিজড়িত জিনিসপত্র, তার শবদেহের কফিন আর অসংখ্য ছবি। ক্যাপশন পড়ে পড়ে আমরা বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কর্মকান্ড এবং বিশ্ব ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ববৃন্দের সঙ্গে পরিচিত হলাম। এরপর ক্যাফেটেরিয়ায় খেয়ে নিলাম তাজা খাবার। ততক্ষণে বিকেল হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বিজড়িত গ্রাম কি এক আকর্ষণে আমাদেরকে ধরে রাখতে চাই। আমাদের সবার চোখেই পানি। যুগ যুগ ধরে মানুষের স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে বেঁচে থাকবেন বঙ্গবন্ধু। টুংগীপাড়া কে বিদায় জানিয়ে আমাদের গাড়ি ছুটে চলল ঢাকার দিকে।
- ২৪ -

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো Microsoft Word ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)

Sribas Ch Das

Founder, Developer, Collecter, Writer & Admin

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং শিক্ষক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts