eNoteShare.com
মাহে রমযানের গুরুত্ব ও ফযিলত
| Article Stats | 📡 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 576 words | 4 mins to read |
Total View 634 |
|
Last Updated 14-Feb-2026 | 05:24 PM |
Today View 0 |
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরজ করে দেয়া হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল। আশা করা যায় এ থেকে তোমাদের মধ্যে তাক্বওয়ার গুণাবলি সৃষ্টি হবে। ---- [সূরা আল-বাকারা : ১৮৩]
- হযরত আদম (আ.) প্রত্যেক আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোযা রাখতেন। (কানযুল উম্মাল, ৮ম খণ্ড)
- হযরত নূহ (আ.) দুই ঈদ ছাড়া সবসময় রোযা রাখতেন। (ইবনে মাজাহ, ২য় খণ্ড)
- হযরত দাউদ (আ.) একদিন পরপর রোযা রাখতেন।
- হযরত সোলায়মান (আ.) মাসের শুরুতে তিন দিন, মাসের মধ্যভাগে তিন দিন, মাসের শেষ ভাগে তিন দিন রোযা রাখতেন। (কানযুল উম্মাল, ৮ম খণ্ড)
- হযরত ঈসা (আ.) সবসময় রোযা রাখতেন, কখনও রোযা ছাড়তেন না। (মুসলিম)
- রমাদ্বান শরীফ-এ আদম সন্তানের প্রতিটি নেক আমল দশগুণ থেকে সাতাশ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়ে থাকে। (বুখারী ও মুসলিম)
- রাসূল (স) বলেছেন, যে লোক রমযান মাসে ঈমানসহ ছওয়াবের আশায় রোযা রাখবে তার পূর্ববর্তী গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। (বুখারী ও মুসলিম)
- রোযাদারের মুখে গন্ধ মহান আল্লাহর নিকট কস্তুরির সুগন্ধ হতেও অতি উৎকৃষ্ট। (বুখারী)
- যে ব্যক্তি রমযান পেল অথচ নিজের গোনাহ মাফ করাতে পারলো না, সে ব্যক্তি ধ্বংস হোক। (বুখারী, তিরমিযি)
- ইফতারের সময় যোযাদার যখন দু’আ করে তখন তার দু’আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (ইবনে মাজাহ)
- রমযানের প্রথম রাত্রিতেই শয়তান ও বাধ্য জিনদেরকে শৃঙ্খলিত করে দেয়া হয়। (তিরমিযী)
- জান্নাতের একটি দরজার নাম ‘রাইয়ান’। রোযাদারকে এ দরজা দিয়েই ডাকা হবে। রোযাদার এ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে কখনও পিপাসিত হবে না। (তিরমিযী)
- যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একদিন রোযা রাখে, আল্লাহ তাকে দোযখ থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (বুখারী)
- হাদীসে কুদসিতে রয়েছে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, সাওম আমার জন্য। আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব। (বুখারী ও মুসলিম) রোযা বিশ্বাসী বান্দাদের জন্য ঢাল স্বরূপ। রোযা সব সময় মানবিক বিপর্যয়কে ঠেকিয়ে রেখে এক সুস্থ ও গতিশীল জীবনযাপনের শক্তি জোগায়। এ শক্তি এক প্রকার আসমানি শক্তি, যা মহান ত্যাগী ও আত্মপ্রত্যাশী খাঁটি মুমিন বান্দা তৈরি করতে সক্ষম।

Comments (0)