রচনা : খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা [15পয়েন্ট]

খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা

ভূমিকা

ক্রীড়া বা খেলাধুলা শরীরচর্চা ও আনন্দ লাভের সঙ্গে সম্পৃক্ত ক্রিয়াকলাপ। সুন্দর ও সুস্থ জীবন গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিজীবন পারিবারিক জীবন এমনকি জাতীয় জীবনের সফলতা লাভের পেছনে কাজ করে সুস্থ ও সুঠাম দেহ। আর এই সুস্থ দেহ গঠনের জন্যে খেলাধুলা অপরিহার্য।

 

খেলাধুলার উদ্ভব

সুপ্রাচীন কাল থেকেই মানুষকে সুস্থদেহী সবল ও কর্মক্ষম করে রাখার জন্যে বিভিন্ন খেলার প্রচলন ছিল। কুস্তি খেলার প্রথম সূচনা হয় ইরাকে ৪০০০ বছরেরও বেশি আগে। খ্রিষ্টপূর্ব ২০৫০ বছর আগে মিশরে শুরু হয় হকি খেলা। এ ছাড়া মুষ্টিযুদ্ধ অসিযুদ্ধ দৌড় ঝাপ ইত্যাদির ইতিহাসের সূচনাও প্রায় ৪০০০ বছর আগে। প্রাচীন গ্রিসে অলিম্পিক খেলার সূত্রপাত। সেই বিশাল প্রতিযােগিতায় গ্রিসের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াকুশলীরা দৌড় ঝাপ মল্লযুদ্ধ চাকতি নিক্ষেপ বর্শা ছােড়া মুষ্টিযুদ্ধ ইত্যাদি প্রতিযােগিতায় অংশ নিত। এভাবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের জীবনে খেলাধুলার প্রয়ােজনীয়তা স্বীকৃতি পেয়ে এসেছে।

 

ব্যক্তিত্ব অর্জনে খেলাধুলা

ব্যক্তিত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি প্রবাদে বলা হয়। All work and no play make Jack a dull boy বস্তুত মনের সতেজতা ও প্রাণময়তা বৃদ্ধিতে খেলাধুলার ভূমিকা যথেষ্ট। খেলাধুলায় রয়েছে সুস্থ প্রতিযােগিতা। তা অনুশীলনের মাধ্যমে মনে আত্মবিশ্বাস ও সবলতার জন্ম দেয়। খেলােয়াড়সুলভ মনােভাব অর্জনের মাধ্যমে জীবনের ঘাত প্রতিঘাত মােকাবেলা সহজ হয়ে ওঠে। খেলাধুলা অনেক ক্ষেত্রে মানসিক দুশ্চিন্তা লাঘবের উপায়। তা ছাড়া দাবা তাস ইত্যাদি চিন্তামূলক খেলা মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে বিকশিত করে। আত্মশক্তি অর্জনে খেলাধুলার ভূমিকা অসামান্য। ছােটবেলায় যিনি নানা রােগে ভুগে মরতে বসেছিলেন সেই জনি ওয়াইজমুলারই অলিম্পিক সাঁতারে সােনা জয় করেন। ১৯৬০ এর অলিম্পিক দৌড়ে তিনটি সােনা বিজয়ী হিউম্যান লােকোমােটিভ নামে পরিচিত চেকোশ্লোভাকিয়ার এমিল জটোপেক ছােটবেলায় খুঁড়িয়ে চলতেন।

 

শিক্ষায় খেলাধুলা

জীবন গঠনের সূচনায় সব প্রাণীর ক্ষেত্রেই খেলাধুলা শিক্ষার উপায়। উন্নত বিশ্বে বিদ্যাশিক্ষাকে আকর্ষণীয় ও আনন্দদায়ক করতে শিক্ষাব্যবস্থায় এখন খেলাধুলা যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে। আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে টেবিল টেনিস ব্যায়াম দাবা বাস্কেটবল ইত্যাদি খেলার ব্যবস্থা থাকে। আজকাল ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলায় উৎসাহী করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানেরও আয়ােজন করা হয়ে থাকে।

 

মানব-মৈত্রী গঠনে খেলাধুলা

খেলাধুলা দেশে দেশে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে শান্তি ও মৈত্রী স্থাপনের সবচেয়ে বড় সম্মেলন অলিম্পিক গেমস। এই বিশাল ক্রীড়া সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় সব দেশের হাজার হাজার খেলােয়াড় অংশগ্রহণ করেন। ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকের অনুপম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিটি বিশ্ববাসী অনুভব করেছে, দেশভেদ জাতিভেদ সত্ত্বেও মানুষ এক ও অভিন্ন সত্তা। অলিম্পিক ছাড়াও এমনিভাবে ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ ইউরােপিয়ান গেমস এশিয়ান গেমস ইত্যাদি বহু খেলার আসর আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি রক্ষায় সহায়তা করে। এভাবে বিশ্বে সাম্য মৈত্রী ও সৌভ্রাতৃত্বের জয়গান ধ্বনিত হয়।

 

স্বাস্থ্যোন্নয়ন ও রােগ প্রতিরােধে খেলাধুলা

স্বাস্থ্য বজায় রাখতে খেলাধুলার কোনাে বিকল্প নেই। শরীরের কোষগুলাের পুষ্টিসাধন সহজ ও স্বাভাবিক রক্তচালনা পরিপাকযন্ত্রকে কর্মক্ষম রাখা প্রভৃতির জন্যে প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিনই কোনাে না কোনাে শারীরিক খেলায় অংশ নেওয়া বা শরীরচর্চা করা। শুধু স্বাস্থ্য উন্নয়নেই নয় বিভিন্ন প্রকার ব্যাধি থেকে স্বাস্থ্যকে রক্ষা করতেও খেলাধুলা প্রয়ােজনীয়। হৃৎপিণ্ডের ও ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখ প্রতিরােধেও প্রয়ােজন খেলাধুলা। খেলাধুলা মানুষের মনের দুশ্চিন্তা লাঘব করে সহনশীলতা বাড়ায় এবং দৈহিক পরিশ্রমের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সাঁতারের মতাে খেলাধুলা মানুষের ফুসফুসের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে। মেদ চর্বি ইত্যাদি দূর করে সুন্দর ও সুঠাম শরীর গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

চরিত্র গঠনে খেলাধুলা

খেলাধুলা মানুষের চরিত্র গঠনেও সাহায্য করে। খেলাধুলার নিয়মকানুন মেনে চলতে গিয়ে মানুষ শেখে নিয়মানুবর্তিতা। খেলাধুলা মানুষকে করে সুশৃঙ্খল। কোচ ও রেফারির কথা মান্য করে দলপতি। দলপতির অধীনে দলবদ্ধ হয়ে খেলতে গিয়ে খেলােয়াড়রা সকলে মিলেমিশে কাজ করার শিক্ষা পায়। এভাবে যৌথ পরিকল্পনা যৌথ কাজ ও যৌথ শ্রমের মধ্য দিয়ে মানুষ নৈতিকভাবে সবল হয়ে ওঠে।

 

অত্যধিক খেলাধুলার অপকারিতা

খেলাধুলা অনেক উপকার করলেও এর কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত খেলাধুলা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যে হুমকি হতে পারে। ফুটবল কাবাডি রাগবি কুস্তি বক্সিং ইত্যাদি খেলায় রয়েছে মারাত্মকভাবে আহত হবার আশঙ্কা। অতিরিক্ত ক্রীড়া আসক্তি অনেক সময় জীবনের স্বাভাবিক ও স্বচ্ছন্দ বিকাশের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় কোনাে প্রতিযােগিতায় পরাজিত দল ও তাদের অন্ধ সমর্থকরা জয়ী দলের বা তাদের সমর্থকদের সাথে মারামারি বাধিয়ে দেয়। খেলাধুলার ক্ষেত্রে এ ধরনের উগ্রপন্থি মনােভাব কখনও কাম্য হতে পারে না।

 

বিনোদন হিসাবে খেলাধুলা

অতীতকাল থেকেই খেলাধুলা বিনোদনের নির্ভেজাল মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানকালে যদিও বিনোদনের হাজারো উপাদান উপকরণ সৃষ্টি হয়েছে তবু খেলার আবেদন এতটুকুও কমেনি। প্রত্যেকটি খেলাই যেন বিনোদনে ঠাসা। খেলাধুলা মানুষকে আনন্দ দেয় উচ্ছ্বসিত করে তোলে। খেলাধুলা আমাদের আবেগ প্রকাশের বড় একটি মাধ্যম। এই খেলাধুলা কখনো মানুষকে হাসায় আবার কখনো কাঁদায়। বিনোদন হিসেবে খেলার উপযোগীতা এমন যে মানুষ দূর দূরান্তে এমন কি দেশের বাইরেও খেলা দেখতে যায়। তাই সন্দেহাতীত ভাবেই খেলা নির্মল বিনোদনের উৎস।

 

সম্প্রীতির বন্ধন তৈরিতে খেলাধুলা

খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়। খেলাধুলা করতে গিয়ে একজন আর একজনের সাথে খেলতে হয়। অন্যের সাহায্য নিতে হয় অন্যের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হয়। দলের একজন খেলোয়াড়ের উপর অন্যজনের নির্ভরতা থাকে। খেলার মধ্যে সৃষ্ট পরস্পরের প্রতি এই আস্থা বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতা মানুষের ভেতরে সম্পর্ক তৈরি করে। সেই সম্পর্ক সহযোগিতার সৌহার্দ্যরে ও সম্প্রীতির। খেলাধুলা যে শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করে তা নয়। বরং খেলার দর্শক সমর্থকদের মধ্যেও এক ধরণের সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করে।

 

জাতীয়তাবোধ তৈরিতে খেলাধুলা

খেলাধুলা মানুষের ভেতর জাতীয়তাবোধ তৈরি করে। কারণ খেলাধুলা এমন একটি বিষয় যা একটি দেশের সকল মানুষকে এক বিন্দুতে এনে দাঁড় করাতে পারে। আমরা আমাদের নিজেদেরকেই এর উদাহরণ হিসেবে আনতে পারি। আমাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের যেকোনো খেলায় তাদের সাফল্যে ব্যর্থতায় জয় পরাজয়ে আমরা বাঙালি জাতি এক হয়ে যাই। ধর্ম বর্ণ জাত রাজনৈতিক পরিচয় নারী পুরুষ নির্বিশেষে আমরা এক পতাকার নিচে চলে আসি। নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা টান উপলব্ধি করি। যখন একজন খেলোয়াড় অন্য দেশের বিরুদ্ধে খেলতে নামে তখন সে তার দেশের সকল মানুষের আশা আকাক্সক্ষাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে নামে। ফলে তার খেলার মধ্যে তার জাতীয়তাবোধ ফুটে উঠে। পুরো দেশের মানুষকে সে জাতীয়তাবোধে উদ্ধুদ্ধ করে। সে যেন সমস্ত দেশ ও জাতির প্রতিনিধি। পুরো জাতিকে সে একই সাথে আবেগে ভাসায়। আমাদের সব কিছু নিয়েই নিজেদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে কিন্তু এই খেলার জায়গায় আমরা বাঙালি জাতি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত হয়ে এক হয়ে যাই।

 

খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিভিন্ন রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি

সারা বিশ্বের প্রগতিশীল সকল রাষ্ট্রেই খেলাধুলা জাতীয় উন্নতির কর্মপ্রেরণার শক্তি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। জাপানের কলকারখানায় কাজ শুরু করার আগে হাজার হাজার কর্মী খোলা মাঠে ১৫ মিনিট খালি হাতে ব্যায়াম করেন। জার্মানরা প্রতি পাঁচ জনের অন্তত একজন কোনো না কোনো ক্রীড়া সংস্থার সক্রিয় সদস্য। একসময় চীনারা চিল পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে রোগগ্রস্ত জাতি। কিন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে চৈনিকরা খেলাধুলাকে সুস্বাস্থ্য গঠনের পথ হিসেবে বেছে নিয়ে সেই বদনাম কেবল ঘোচায় নি খর্বতা সত্ত্বেও সোনা জিতেছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে বিশ্বক্রীড়ায়। বিশ্বের সকল উন্নত রাষ্ট্রেই এখন খেলাধুলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিশ্ব সম্প্রদায়। এক কথায় সারা বিশ্বের সকল উন্নত অনুন্নত রাষ্ট্রে এখন খেলাধুলার গুরুত্ব স্বীকৃত।

 

বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ তৈরিতে খেলাধুলা

অতীতকাল থেকেই একটি দেশের সাথে অন্য একটি দেশের সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান সময়েও বিশ্বভ্রাতৃত্ব সৃষ্টিতে খেলাধুলা কার্যকর একটি মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিম লে আয়োজিত বিভিন্ন খেলাধুলা যেমন, আন্তঃদেশীয় টুর্নামেন্ট দ্বি জাতীয় অথবা বহুজাতীয় সিরিজ অলিম্পিক গেমস ফুটবল ক্রিকেট হকি বিশ্বকাপ প্রভৃতির ফলে একদেশের মানুষের সাথে অন্য দেশের মানুষের যোগাযোগ বাড়ে জানাশোনা বাড়ে। মানুষে মানুষে বিভিন্ন সম্পর্ক তৈরি হয়। এমনকি দুটি দেশের মধ্যে চলমান কোনো দ্বন্দ্ব বা সংকট নিরসনে ও বন্ধুত্ব তৈরির লক্ষ্যে অনেক সময় সেই দেশ দুটির মধ্যে নানা রকম খেলার আয়োজন করা হয়। খেলাধুলা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন করে। কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রিসভার সদস্য যখন অন্য কোনো দেশে নিজের দলের খেলা দেখতে যান তখন স্বাভাবিক নিয়মেই দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্ক গাঢ় হয়। ফলে দুটি দেশের মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয় ভ্রাতৃত্ববোধ।

 

বিভিন্ন বয়সে খেলাধুলা

জন্মের কিছুকাল পর থেকেই শিশুরা খেলাধুলার প্রতি একটা স্বাভাবিক আকর্ষণ অনুভব করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে দৌড় ঝাঁপ আর বিভিন্ন খেলাধুলায় আত্মনিয়োগের মাধ্যমে শরীরের শ্রমের চাহিদা পূরণ করতে হয়। শৈশব থেকে কৈশোরে উত্তীর্ণ হবার পর নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলা করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে কারণ এটাই শরীর গঠনের প্রকৃষ্ট সময়। কৈশোর থেকে যৌবনে পৌঁছতে পৌঁছতে খেলাধুলার উপকরণ অনেক বদলে যায়। তরুণ বয়সে খেলাধুলা মানুষের মনে আনে মুক্তির স্বাদ। পড়াশুনার চাপে ক্লান্ত ও অবসন্ন যুবক তার অবসরকে আনন্দময় ভাবে উপভোগ করতে পারে খেলাধুল করে। সাথে সাথে দেহ ও মন হয় সতেজ ও সবল।

 

উপসংহার

খেলাধুলা যেমন শরীর গঠনের সহায়ক তেমনি আনন্দদায়ক। প্রতিটি খেলায় থাকে একধরনের কর্তব্যবোেধ। খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষ দায়িত্বশীল হয় কর্তব্য সম্পাদনে একই সঙ্গে পায় মর্যাদা অর্জনের শিক্ষা। ক্রিকেটে সাম্প্রতিককালে আমাদের তরুণ খেলােয়াড়দের অর্জন জাগরণ ঘটিয়েছে জাতির মর্যাদাবােধের। জাতীয় জীবনে খেলাধুলার প্রসার ঘটলে জাতি সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করতে শেখে ঐক্যচেতনা গড়ে ওঠে। জাতি এগিয়ে যেতে পারে নিত্যনতুন অর্জনের পথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *